ইলিশ শূন্য মেঘনা নদীতে ডাকাত ও নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ জেলেসহ ব্যবসায়ীরা ইলিশ শূন্য মেঘনা নদীতে ডাকাত ও নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ জেলেসহ ব্যবসায়ীরা - ajkerparibartan.com
ইলিশ শূন্য মেঘনা নদীতে ডাকাত ও নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ জেলেসহ ব্যবসায়ীরা

3:40 pm , October 2, 2021

মো. আফজাল হোসেন, ভোলা ॥ আগামীকাল ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশের অভায়াশ্রম হিসেবে ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরা, মজুদ,পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এই ঘোষনাকে স্বাগত জানিয়ে নদীতে মাছ না থাকার মধ্যেও দিনে ও রাতের ডাকাত এবং নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি আর হয়রানিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলেসহ ব্যবসায়ীরা। ভোলার চার পাশটাই মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী বেস্টিত। জেলার অন্তত আড়াই লাখ থেকে ৩ লাখ জেলে রয়েছে। যারা ইলিশ মাছের উপর নির্ভশীল। তবে এ বছর নদীতে মাছ না থাকায় চরম হতাশ জেলেসহ মাছঘাটের আড়তদাররা। ইলিশ না থাকায় নদীতে ডুবো আর নিষিদ্ধ জালকে দুষছেন তারা। এর পরেও যা মাছ ধরা পরে তার জন্য রাতে ডাকাত আর দিনে নৌ-পুলিশকে নিয়মিত চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ জেলেসহ আড়তদারদের। সুদের উপর ঋন নিয়ে চাঁদা দিতে হচ্ছে এসব জেলেদের। তার মাঝেও যা ইলিশ ধরা পড়ছে তাও আবার আকারে খুবই ছোট বা জাটকা। জেলেরা বলেন, এখন ইলিশ মাছের পেটে কোন ডিম নেই। আরো ২০/২৫ দিন পরে নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত ছিলো বলেও জানান তারা। এখন মাছ পাওয়া শুরুর মধ্যে অভিযান দিয়েছে। চাঁদাবাজির কারনে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক জেলে নৌকা নিয়ে হাতিয়া চলে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তারা আরো বলেন, এ বিষয় তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও কোন লাভ হচ্ছে না। তবে সরকার যে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে তাকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। তাদের একটা দাবী নদীকে নিরাপদ করে দেয়া। এসব জেলেরা বিকাশ এবং পরে নগদ টাকা নেয়া শুরু করে। টাকা না পেয়ে একাধিকবার ধাওয়া করার অভিযোগও করেন জেলেরা। বোরহানউদ্দিনের হাকিম উদ্দিন আর নোয়ায়াখালীর রামগতির নৌ-পুলিশ এসব করছে বলে জানান জেলেরা।
এসব বিষয় বোরহানউদ্দিন হাকিমউদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ রুহুল আমিন এর সাথে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ছুটিতে বাড়িতে আছেন জানিয়ে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যেমুলক।
এছাড়া বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার এর সাথে আলাপকালে সরকারী মুঠোফোনে বলেন, যখন চাঁদা দিবে তখন ছবি কিংবা ভিডিও করে দিলে প্রমানসহ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানানো হয় জেলে এবং ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে।
অপরদিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম বলেন, সরকারী নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আশা করছি জেলেরা বড় ইলিশের আশায় নদীতে জাল নিয়ে নামবে না।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT