নগরীর চৌমাথা লেকে বসছে দৃষ্টিনন্দন আলোক-শব্দের ফোয়ারা নগরীর চৌমাথা লেকে বসছে দৃষ্টিনন্দন আলোক-শব্দের ফোয়ারা - ajkerparibartan.com
নগরীর চৌমাথা লেকে বসছে দৃষ্টিনন্দন আলোক-শব্দের ফোয়ারা

4:11 pm , May 10, 2026

বিশেষ প্রতিবেদক ॥
বরিশাল নগরবাসীর জন্য আসন্ন ঈদ উপহার হিসেবে  আরো একটি দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। নগরীর নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকে আলো ও শব্দের সমন্বয়ে এ ফোয়ারাটি আসন্ন ঈদ উল আজহার আগেই সর্ব সাধারনের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে নগর প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ইতোপূর্বে নগরীর কেন্দ্রস্থল বিবির পুকুরের অনুরূপ একটি ফোয়ারা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব গ্রহনের পরেই নগরী থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের অংশ হিসেবে বেলসপার্ক, স্বাধিনতা পার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকের তিন পাড় থেকে সব অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা অপসারণের উদ্যোগ নেন। পুরো বিষয়টিকে নগরবাসী অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছেন।
নগরীর বেলসপার্কটির সৌন্দর্যবর্ধনেও বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সাথে নবগ্রাম রোড-চৌমুহনী লেকের মাঝে মিউজিক্যাল ফোয়ারা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ৪৫ লাখ টাকার বিশেষ তহবিলে এ প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে গতমাসের শেষ সপ্তাহে।  ইতোমধ্যে প্রকল্পটির প্রায় অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে।
বাজনার তালে এ ফোয়ারা থেকে বিভিন্ন রঙের আলোকিত পানি শূণ্যে উত্তোলন করা হবে। সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফোয়ারাটি সর্ব সাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে।
বরিশাল-ফরিদপুর-ঢাকা এবং বরিশাল-কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়কের পশ্চিম পাশে নির্মানাধীন এ ফোয়ারাটি নগরবাসী ছাড়াও কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রমুখি পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষনীয় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নগর প্রশাসক শিরিন। এতে নগরীর সৌন্দর্যের পাশাপাশি মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে বলে নগর প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তবে এ ফোয়ারা চালুর পাশাপাশি লেকটির চার পাশের সড়ক এবং ওয়াকওয়ে পরিপূর্ণভাবে অবৈধ দোকানপাটমুক্ত করার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, নগর প্রশাসন এ লেকটির চারধারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে একটি সুষ্ঠু ও জনবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনলেও প্রতিদিন বিকেল থকে অনেক রাত অবধি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে বেশ কিছু অবৈধ দোকান পুনরায় বসছে। একই সাথে লেকটির উত্তর-পশ্চিম কোন থেকে কোন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদই করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার নগর ভবনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সহ প্রশাসন বিভাগের দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষন করলেও রহস্যজনক কারণে সব কিছু স্থবির হয়ে আছে।
অপরদিকে বেলস পার্কের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে সেখানে একটি শ্রান্তি বিনোদন পূর্ণ পরিবেশ ফিরে এলেও প্রায় প্রতিরাতেই পার্কটির অভ্যন্তরে একাধিক ভ্রাম্যমান দোকান বসছে। অথচ এ পার্কে সিটি করপোরেশনের তরফ থেকে একাধিক কর্মী কাজ করার কথা। কিন্তু ভ্রমনকারীদের অভিযোগ এখানে কখনোই নগরভবনের কোন কর্মী সহ দায়িত্বশীলদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT