3:22 pm , May 9, 2019
গলাচিপা প্রতিবেদক ॥ গলাচিপায় দুই ভুয়া র্যাবকে আটক করেছে পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজীর টাকা, মোবাইল সেট এবং একাধিক সংগঠনের পরিচয় পত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন, জিল্লুর রহমান জুয়েল (৩৯) ও মো. জাকির হোসেন (৪৮)। বুধবার সন্ধ্যায় গলাচিপা পৌর শহরের একটি মাছের আড়ৎ থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের বাড়ি উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম মাঝগ্রামে। পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি সোয়েব আহমেদ খান বুধবার রাত সাড়ে ১০ টায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, আটককৃত জিল্লুর রহমান ও জাকির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ অফিসার র্যাব পরিচয়ে পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাঁদাবাজী করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জিল্লুর রহমান ও জাকির র্যাবের লোক বলে গলাচিপা পৌরসভার মৎস্য ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া, হেলাল ও মজিবুল গাজীর কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবী করে। ওই দিন তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করলে পুনরায় বুধবার তাদের কাছে টাকা আনতে যায় জিল্লুর ও জাকির। এসময় ভুক্তভোগীরা পটুয়াখালী র্যাব-৮ কে অবহিত করে তাদের টাকা দেয়ার আশায় বসিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালী র্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন। এসময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর কোম্পানী কমান্ডার সোয়েব আহমেদ খান আরো জানান, আটককৃতদের সাথে বিশাল একটি প্রতারক চক্র জড়িত রয়েছে। এই চক্রটি র্দীঘদিন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে কখোনো র্যাব, কখোনো নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, কখোনো পুলিশের বড় অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদাবাজী করে আসছে। এছাড়াও তারা সনামধন্য পত্রিকা অথবা মিডিয়ার পরিচয় দিতো। এসময় জিল্লুর রহমানের কাছ থেকে একাধিক মিডিয়ার পরিচয় পত্র উদ্ধার করা হলেও তার কোন সত্যতা তারা নিশ্চিৎ করতে পারেনি। এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আখতার মোর্শেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে র্যাব সদস্যরা আটককৃতদেরকে থানায় সোপর্দ করলে অভিযোগ প্রাপ্তির মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং-০৪। আসামীদেরকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক পুলিশি রিপোর্ট দাখিল করা হবে।
