3:10 pm , February 7, 2019
নিজস্ব প্রতিবেদক \ নগরীতে ভুল চি?কিৎসায় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়া নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে নগরীর সিএন্ড?বি রোড ইসলামপাড়া সড়কের আল-আমিনের ছেলে শিশু রেদোয়ানের মৃত্যু নিয়ে তার পরিবার থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ফলে শিশু মৃত্যুর বিষয়ে চিকিৎসকের গাফিলতি আছে কিনা তা যাচাই করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
তদন্ত কমিটিতে প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও ভান্ডার) ডা. মো. ইউনুস আলী। এছাড়া সার্জারী বহি.বিভাগের আবাসিক সার্জন ডাঃ সৌরভ সুতার ও শিশু বহি.বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. খান সাইফুল¬াহ পনির।
জানা গেছে, ৬ মাস বয়সী রেদোয়ানের ২/৩ দিন ধ?রে কা?শি ও জ্ব?র ছিল। বুধবার সকা?লে তাকে শের-ই বাংলা হাসপাতা?লে বহি.বিভাগে চি?কিৎসার জন্য নেওয়?া হয়। সেখানকার শিশু বি?শেষজ্ঞ ডা. মাহমুদ হাসান খান তা?কে সালটো?লিন ইন?হেলার ব্যবহা?রের পরামর্শ দেন এবং এ?টি সদর হাসপাতাল রো?ডের বেস্ট ফা?র্মে?সি থে?কে কেনারও পরামর্শ দেন তিনি।
ওই দিন রাত ৮টার দি?কে শিশুটির বাবা-মা তাকে নি?য়ে ওই ফা?র্মে?সি?তে গি?য়ে ইন?হেলারটি কি?নেন। ওই সময় ওষু?ধের দোকা?নের সেলসম্যান ইন?হেলার?টি ব্যবহার করেন। ইনহেলারটি দেয়ার সা?থে সা?থে শিশুর মৃত্যু হয় বলে পরিবার অভিযোগ করনে। তা?দের অ?ভি?যোগ, ভুল চিকিৎসায় শিশু?টি মারা গে?ছে। এর পর শিশু?টি?কে নি?য়ে তার বাবা আল আমিন ও মা শাহানাজ বেগম থানায় যান এবং এ ঘটনার বিচার দাবী করেন। এ বিষয়ে সেলসম্যান জানান, চিকিৎসকের ব্যবস্থ্পাত্র অনুযায়ীই শিশুটিকে ইনহেলার দেওয়া হয়েছে। তাদের কোন ত্রæটি ছিলো না। অভিজ্ঞ দেখেই ওই ওষুধের দোকানে পাঠানোর কথা স্বীকার করে নির্ধারিত সময়ের পরে গিয়ে ইনহেলার দেওয়ায় শিশুটির এই পরিনতি বলছেন চিকিৎসক ডা. মাহমুদ হাসান খান’র দাবী।
এদিকে, রাতেই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে কোতয়ালী মডেল থানায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বহি.বিভাগের ডা. মাহমুদ হাসান খান সহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মামলা করেছে। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এজাহার পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে চিকিৎসক সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
