কৌশলে আটকে দেওয়া হলো কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের পিছনের পথ কৌশলে আটকে দেওয়া হলো কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের পিছনের পথ - ajkerparibartan.com
কৌশলে আটকে দেওয়া হলো কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের পিছনের পথ

4:44 pm , May 6, 2026

আরিফ আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদক ॥
স্কুলের জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আসা-যাওয়া বন্ধ করতে রীতিমতো দেয়াল তুলে  আটকে দিয়েছে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের পিছনের পথটি। এ নিয়ে অনেক অনুরোধ, মিনতি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের হস্তক্ষেপ পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসা মাত্রই কথিত একজন বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় এলাকাবাসী সেখানে বিদ্যুৎ এর ট্রান্সমিটার বসানোর উদ্দেশ্যে দুটো খাম্বা বসিয়ে দিয়েছে। অথচ নিজেরা পকেট গেট তৈরি করে নিয়মিত যাতায়াত করছে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের ভিতর দিয়ে। এ ঘটনায় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকবৃন্দ।
৫ মে বুধবার সকালে পরেশ সাগর মাঠের বাণিজ্য মেলা চিত্র ধারণ করতে গেলে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন। সরেজমিনে স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের দক্ষিণ পাশে ১০ ফিটের পায়েচলা পথে ময়লা আবর্জনার স্তূপ ও দেয়াল দিয়ে পথ আটকে দেয়ার চিত্র চোখে পড়ে। ছাত্ররা বলেন, আমরা যারা রূপাতলী ও সাগরদি এলাকা থেকে আসা-যাওয়া করি, আমাদের জন্য পুলিশ লাইন সড়কে নেমে এন. হোসেন গলি দিয়ে সোজা আসতে পারলে সময় বাঁচে এবং খরচও কম হয়। এখানে এন. হোসেন গলির বাসিন্দারা দেয়াল তুলে দেওয়ার কারণে আমাদের এখন অনেকটা পথ ঘুরে ব্রাউন কম্পাউন্ড বা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের সড়ক দিয়ে আসতে হয়। এতে আমাদের ভাড়াও বেশি খরচ লাগছে।
তবে এন হোসেন গলির বাসিন্দাদের দাবী, এটি বন্ধ করা হয়েছে কারণ; স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষার্থী ছাড়াও অনেক বখাটেরা এ পথে চলাচল করে। বিশেষ করে ছিচকে চোর ও মাদকাসক্তদের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় তারা এ পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানান।
এলাকাবাসী আরো বলেন, এটিতো কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা নয়, এটি জিলাস্কুলের জায়গা। আর এই এন হোসেন গলির বেশিরভাগ বাসিন্দা জিলাস্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার অলিউল ইসলাম বলেন, হ্যা এ জায়গা জিলাস্কুলের এটা সত্যি। কিন্তু কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ এখন এখানে আছে এবং আপনাদের সন্তানরাই এখানে পড়াশুনা করছে। তাদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা কি নাগরিক দায়িত্ব নয়? প্রশাসনসহ আমরা তাদের বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি, অন্তত সকাল ৯টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত গেটটি খুলে দিন। নিজেরাই তালা দিয়ে দেব। এটি তো অনুমোদিত একটি সড়ক। যা পরবর্তীতে জিলাস্কুলেরও প্রয়োজন হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT