4:11 pm , May 9, 2026
মুলাদী প্রতিবেদক ॥
মুলাদীতে জমি থেকে উচ্ছেদ করতে এক অসহায় নারীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন ওই নারীকে উচ্ছেদ করতে না পেরে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী জাহানারা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রায় ১ বছর আগে প্রতিপক্ষের লোকজন জাহানারা বেগমের বসতঘর পুড়িয়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মুলাদী সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ গলইভাঙা গ্রামের মৃত আলমগীর সরদারের ছেলে মহিম সরদার (৩০) ও তার স্ত্রী রুবিনা বেগম (২৫) লোকজন নিয়ে জাহানারা বেগমকে পিটিয়ে জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ গলইভাঙা মৌজায় একটি দাগের ২৫ শতাংশ জমির মধ্যে সাড়ে ৬ শতাংশ জমি কিনে জাহানারা বেগম বাড়ি নির্মাণ করেন। কয়েক বছর আগে মহিম সরদার একই দাগে ৪ শতাংশ জমি কিনে জাহানারা বেগমকে ঘর সরিয়ে নিতে বলেন। এনিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠক হলেও মহিম সরদার লোকজন নিয়ে জাহানারা বেগমকে ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হলে একবছর আগে তার বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সরকারি ভাবে জাহানারা বেগমকে একটি ঘর প্রদান করা হয়।
জাহানারা বেগম বলেন, ‘মহিম সরদার স্থানীয় মনির মুন্সীর কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন। তিনি মনির মুন্সী থেকে জমির বুঝে না নিয়ে আমার বসতঘরের মধ্যে জমি দাবি করেন। গত ৪ মে মহিম সরদার লোকজন নিয়ে ভুয়া মাপজোখ করে আমার বসতঘরের মধ্য জমি দাবি করে ঘরের পিলার ও পাইপ ভাঙচুর করেন। এতে বাধা দিতে তারা আমাকে মারধর করে জখম করেন।’
জাহানারা বেগমের ডাকচিৎকারে তার স্বামী আলী আফসার সরদার তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে চিকিৎসা করান। পরে ওই দিন বিকেলে জাহানারা বেগম বাদী হয়ে মহিম সরদার ও রুবিনা বেগমসহ ৪জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, জাহানারা বেগম একটি অভিযোগ করেছেন। তার সঙ্গে প্রতিবেশিদের বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
