4:50 pm , February 23, 2026
ভোলা প্রতিবেদক ॥
ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্ত্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী বাকপ্রতিবন্ধী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তজুমদ্দিন থানার ওসি। ধর্ষিতা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাকপ্রতিবন্ধী এক সন্তানের জননী (২৫) রোববার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্ত্তন শুনতে যায়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোচালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে উঠিয়ে নিয়ে আসে।
অটোটি স্থানীয় ধোপাবাড়ির দরজায় আসলে তিনজনে মিলে প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে রাতের শেষভাগে নারীর হুশ ফিরলে ডাকচিৎকার দেয়। এ সময় ধর্ষকরা তাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা ধর্ষিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
ধর্ষিতা হাসপাতালে বসে জানান, আমি কীর্ত্তনে গেলে রাতে রাকিব, সোহেল ও রাসেল আমাকে তাদের অটোতে তুলে নিয়ে আসে। পরে ধোপাবাড়ির দরজায় এসে মুখ চেপে ধরে জোড় করে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে। তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. শামসুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার নারীকে আহতাবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসে। তখন তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতাল থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
