4:17 pm , January 26, 2026
মো. জসিম জনি, লালমোহন প্রতিবেদক ॥
ভোলা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, নির্বাচনে ‘হ্য’া ‘না’ ভোটের প্রশ্ন একটি বিতর্কিত বিষয়। ‘হ্যা’ ‘না’ ভোটে অনেক কিছুই আছে যার জন্যে জনগণের মতামত নেওয়া হয়নি। এমনকি বিএনপিসহ আরো কয়েকটি দল আপত্তি (নোট অব ডিসেন্ট) জানিয়েছে। আমরা যদি এটা নিয়ে জোরাজুরি করতাম, তাহলে জামায়াত-এনসিপিসহ আরো কয়েকটা ছোট ছোট দল নির্বাচনে আসে না। এ কারণে আমরা বাধ্য হয়েই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি। সোমবার বিকেলে লালমোহন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক ৬ বারের সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম আরো বলেন, জুলাই-আগস্টের আত্মত্যাগ যাতে ব্যর্থ না হয়, যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্যে আমরা হ্যা ভোট দিতে রাজী আছি। কিন্তু যেখানে যেখানে আমরা আপত্তি দিয়েছি, জাতীয় সংসদে আমাদের যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, তাহলে আমাদের আপত্তি বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ আমরা সংবিধানে প্রতিপালন করবো ও সংযুক্ত করবো।
তিনি বলেন, আমরা কখনোই ভারতের আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবো না। আমরা সমৃদ্ধ সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমাদের ৩১ দফা কর্মসূচির মধ্যে আমাদের কর্মপরিকল্পনা আমরা ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছি। সংবিধান সংশোধন করতে হলে যারা জনপ্রতিনিধি তাদেরই করার হক আছে। ঢাকা থেকে কয়েকজন এলিট বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করার অধিকার রাখে না। সারা পৃথিবীতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে জাতীয় সংসদে বসে আমরা বাংলাদেশের সংবিধানকে যুগোপযোগী করবো।
আমাদের বড় আশ^স্থি হলো এখন আর ভারতপন্থি শেখ হাসিনা সরকার নেই। আজ সবাই মুক্ত। যদি ধর্ম ব্যবসায়ীরা ক্ষমতায় আসে মহিলাদের জন্য আর বাংলাদেশ বসবাস যোগ্য থাকবে না। তারা এই দেশকে তালেবানের মতো আফগানিস্তান বানাবে। মহিলারা সারাদেশব্যাপী এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। এইজন্য তারা বলা শুরু করেছে, এখন আর শরীয়া আইন কার্যকর করবে না। এতোদিন তারা কোরআনের আইনে দেশ চালাবে বলেছিলো এখন বলছে বর্তমানে যে আইন আছে সেটাই তারা অনুসরণ করবে। এটি একটি ধোকাবাজী।
