লালমোহনে মসজিদের ইমামকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল লালমোহনে মসজিদের ইমামকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল - ajkerparibartan.com
লালমোহনে মসজিদের ইমামকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল

3:43 pm , March 31, 2026

লালমোহন প্রতিবেদক ॥
ভোলার লালমোহনে জোরপূর্বক ঘর করতে গেলে বাধা দেওয়ায় একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। মঙ্গলবার সকালে লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ গ্রামের গজারিয়া ৮নং ওয়ার্ড গুচ্চগ্রাম সংলগ্ন সনু হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে। সেখানে দেখা যায় ‘একজনকে কয়েকজন মিলে লাঠিসোঠা নিয়ে এলোপাথাড়ি মারছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওতে মারধরের শিকার ওই ব্যক্তির নাম আকতার হোসেন। তিনি স্থানীয় মসজিদের ইমাম। তবে এই হামলায় ৪জন মারাত্মক জখম হয়েছে। আকতার হোসেনের ভাই গিয়াস উদ্দিন বাচ্ছুর মাথায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম ও তাদের বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাদের ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার পর লালমোহন থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘর করতে নিষেধ করলেও হামলাকারীরা কারো কথা না শুনে মিস্ত্রি দিয়ে মহিলাদের উপস্থিত রেখে দিনব্যাপী তাদের কাজ চালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
গিয়াস উদ্দিন বাচ্চুর ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আল-আমিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বাড়ির পাশের হাওলাদার গ্রুপের সোবাহান, লোকমান, রমজান, আনোয়ার ভুট্টু, জাহাঙ্গীর, বাবুল, আফজাল, মোর্শেদ একত্রিত হয়ে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন করতে যায়। এসময় আল-আমিনের বাবা গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু, চাচা ফরিদ, আকতার, দাদী ফাতেমাসহ তাদের পরিবারের লোকজন বাধা প্রদান করে। বাধা দেওয়ায় হাওলাদার গ্রুপ তাদের উপর কুড়াল, লাঠিসোঠা নিয়ে আঘাত করতে থাকে। আঘাতে চাচা আকতার হোসেন, দাদী বিবি ফাতেমার পা ভেঙ্গে যায় এবং বাবা গিয়াস উদ্দিনের মাথার কয়েক স্থানে ক্ষত হয়। তাদের তাৎক্ষণিক লালমোহন হাসপাতালে আনলে সেখান থেকে দুজনকে ঢাকা প্রেরণ করা হয়।
আল-আমিন আরো জানান, যারা হামলা করেছে তারা জমি বিক্রি করে গুচ্চগ্রামে থাকে। ৩০ বছর ধরে ওই জমিতে তারা দাদা ইদ্রিস গাজি ক্রয় করে বসবাস করেন। তার ওয়ারিশ হিসিবে বর্তমানে তারা বসবাস করেন। কিন্তু এরপরও ওই গ্রুপ এখানে জোরপূর্বক ঘর করতে আসে। তাদের পরিবারের লোকজনকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়ে এখনো তারা ঘর উত্তোলনের কাজ করছে।
সোবাহানের ছেলে কাওসার জানান, আমরা ১০ বছর আগে চট্টগ্রাম ছিলাম। পরে তারা আমাদের জায়গা দখল করে। আমরা ফিরে আসার পর আমাদের জায়গায় ঘর তুলতে গেলে তারা বাধা দেয়।
এবিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার পর লালমোহন থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT