3:43 pm , March 31, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
মুলাদীর বোয়ালিয়া গ্রামে সালিশ বৈঠকে সালিশদার সহ পাওণাদারকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ৩০ মার্চ এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত চারজন বর্তমানে মুলাদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছে। আহতরা হলেন, প্রবাসী ইউসুফ মাস্টার, হাফেজ হাবিবুর রহমান হাওলাদার, সিদ্দিক খান ও দোলোয়ার খান। এ ঘটনায় মুলাদি থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে আহতর সূত্র। ঘটনার অভিযুক্ত একই এলাকার মিজান ভূইয়া ও তার ছোটভাই হেদায়েত ভূইয়া বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তারা বোয়ালিয়া গ্রামের হাকিম ভূইয়ার ছেলে।
আহতর স্বজনরা জানায়, অভিযুক্ত মিজান ভূইয়া দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে কাজ করতো। সেখানে থাকাকালীন সময় মিজান নানা বাহানায় একই গ্রামের অন্য প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হওয়ার পরেও এসব টাকা ফেরৎ দিতে অস্বিকার করে মিজান। এমনকি সিঙ্গাপুরে নানা ধরনের অপকর্মে জরিয়ে পরে। গত বছর অপরাধমূলক কর্মকান্ডের অভিযোগে সিঙ্গাপুর সরকার তাকে ব্লক করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। দেশে ফিরে আসার পর কর্মহীন হয়ে নিজের ছোট ভাইর সাথে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরে মিজান।
সোমবার সকাল ৯ টায় উপজেলার চিলমারী গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসি সুমন খানের পাওনা দুই লক্ষ টাকা নিয়ে সালিশ বসে বোয়ালিয়া গ্রামে। সালিশিতে টাকা দিতে অস্বিকার করে মিজান ও তার ভাই সহ সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এসময় তারা পাওনাদার ও সালিশদার সহ সকলকে বেধরক মারধর করে। এমন একাধিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে মিজানের নামে। প্রবাস থেকে ফিরে সে ও তার ছোট ভাই মাদক বিক্রয় সহ নানা ধরনের অপরাধ করে বেরাচ্ছে বলে জানিয়েছে অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে মুলাদি থানার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, মিজান ও তার ভাই বর্তমানে পলাতক রয়েছে। গত এক বছরে তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধমুলক কাজের অভিযোগ এসেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভুগিদেও সাথে আলাপ করেছে থানা কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় আহত প্রবাসী ইউসুফ মাস্টারের ছোট ভাই আব্দুল হক হাওলাদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
