4:43 pm , February 18, 2026
বাজারে প্রশাসন নেই! দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি!!
বিশেষ প্রতিবেদক ॥
বরিশালে মাহে রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। ভোক্তা অধিকার থেকে বলা হয়েছে-মাহে রমজান উপলক্ষে তাদের বিশেষ কোন অভিযান নেই। তবে প্রতিদিনই তাদের অভিযান থাকে কিন্তু বাজার ঘুরে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা হলো ‘ভোক্তার অভিযান কারো চোখে পড়েনি। ভোক্তার পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে যে -বুধবার তারা উজিরপুরে অভিযান চালিয়েছে। উজিরপুরে খবর নিয়ে জানা গেছে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। এদিকে জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের এমন উদাসীনতায় রমজানের বাজারে শুরুতেই আগুন লাগতে শুরু করেছে। সামান্য লেবুর হালি ১০ টাকা থেকে একলাফে ১০০ টাকায় উঠেছে। ২০ টাকা কেজির শসা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। একইভাবে প্রতি লিটারে তেলের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। অন্য সবজির দামও প্রতি কেজিতে বেড়েছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা দিয়ে ৮০০ টাকায় উঠেছে। মুরগী কিনতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ। ব্রয়লার মুরগী ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগী ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা এবং সোনালী ২৭০ টাকা থেকে ৩২০ টাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসেরদাম ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা কেজি করা হয়েছে। সবকিছু করা হচ্ছে ভোক্তার সামনে। কোন কারন ছাড়াই এসবের দাম বাড়ানো হয়েছে। খেজুরের দাম প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ২০০ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে। ফলের বাজারে হাত দেয়া যাচ্ছে না। অসহায় ক্রেতাদের দাবি হচ্ছে -ভোক্তা অধিকারের লোকজনদের ম্যানেজ করে ফ্যাসিবাদের সময় অপকর্মে লিপ্ত এই নগরির অসাধু ব্যবসায়ি সিন্ডিকেট আবারো সক্রিয় হয়েছে। এদের উপর যাতে কোন অভিযানের প্রভাব না পড়ে সেজন্য অভিযানের আগাম খবর পাবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় মার খেতে বসেছে টিসিবির কার্যক্রম। প্রতিদিন সকালে মালামাল বিতরণের কথা থাকলেও গুদাম থেকেই তা বিতরণে দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে। রোজার মধ্যে ট্রাক থেকে মালামাল নিতে রোজাদারদের সন্ধ্যা হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে।
