3:38 pm , May 26, 2021
ভান্ডারিয়ায় বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি বেড়েছে
ভা-ারিয়া প্রতিবেদক ॥ সাইক্লোন ইয়াস এর প্রভাবে ভান্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসের’ প্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ভান্ডারিয়ায় কঁচা ও পেনা নদীর পানি। সব নদীর পানিই বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার উপকূলীয় এলাকার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া থেমে থেমে বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো বাতাসও হচ্ছে। বুধবার (২৬ মে) উপজেলার কঁচা নদীর চরখালী ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভরা পূর্নিমা ও জোঁয়ারের পানির প্রবল ¯্রােতের বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর , ভেসে গেছে মাছের ঘের ও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবজি এবং ফসলের।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের রেশ কাটতে না কাটতেই ইয়াসের প্রভাবে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শঙ্কায় দিন কাটছে উপকূলবাসীর।
কঁচা নদীর তীরে বসবাসকারী আব্দুল খালেল সরদার জানান, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে রাত থেকে নদীর পানি ৩ থেকে ৫ ফিট বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে খুব সহজেই পানি প্রবেশ করে বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে।
পানি বন্দি বিউনি বেগম জানান, রাত থেকেই পানি বৃদ্ধির কারনে ঘরে পানি প্রবেশ করছে। রান্না- বান্না বন্ধ রয়েছে। ঘরের লোকজন নিয়ে খাটের উপর অবস্থান করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব আওলাদ হোসেন বলেন, সাইক্লোন ইয়াস মোকাবিলায় ভান্ডারিয়ায় ৫৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্কাউট ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা রানী ধর জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় এমপি মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং উপজেলা চেয়াম্যানকে একসাথে নিয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সভা করেছি। সংশ্লিষ্ট সকলকে এর সাথে অর্ন্তভূক্ত করেছি। ঘূর্ণিঝড় পূর্বকালীন এবং পরবর্তী বিভন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শুকনা খাদ্য বিতরণ এবং দূর্যোগকালীন সময়ে যেন মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পরে সেজন্য মাইকিং করা হয়েছে। ব্যাপক হারে জনপ্রতিনিধিদের অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে যাতে আমরা তৎখনাত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারি।
