দুর্নীতির দায়ে চাকুরী হারিয়েছে বিসিসি’র ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতির দায়ে চাকুরী হারিয়েছে বিসিসি’র ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী - ajkerparibartan.com
দুর্নীতির দায়ে চাকুরী হারিয়েছে বিসিসি’র ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী

1:00 am , August 15, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দুর্নীতির দায়ে এই ১২ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার দুপুরে করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা হলেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মতিন, নির্বাহী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী কাজী মনিরুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কমল কৃষ্ণ দাস ও জহিরুল ইসলাম, চিফ অ্যাসেসর মুশফিক আহসান আজম, জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দিন রোমেল, হিসাবরক্ষক মো. মাইনুদ্দিন, সম্পত্তি শাখার অ্যাস্টেট অফিসার মাহাবুবুর রহমান শাকিল, আইন সহকারী রফিকুল ইসলাম, হিসাব সহকারি আব্দুস সালাম ও হাট বাজার শাখার স্টল সহকারি আতাউর রহমান। এর আগে তাদের কেউ কেউ সাময়িক বরখাস্ত এবং বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ছিলেন। সতর্ক করার পরও সংশোধন না হওয়ায় তাদের চাকরি থেকে চূড়ান্ত অব্যাহতি দেওয়ার কথা বিসিসির অফিস আদেশে উল্লেখ রয়েছে। গত ১৯ জুলাই বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মদ ওই ১২ জন কর্মকর্তার অব্যাহতি আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর ১০ দিন পর ২৯ জুলাই চিঠিতে অফিস স্মারক নম্বর দেওয়া হয়। স্মারক নম্বর দেওয়ার ১৫ দিন পর বৃহস্পতিবার অফিস পিওনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের হাতে হাতে অব্যাহতির চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাময়িক বরখাস্ত কিংবা ওএসডি হওয়ার আগে কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে সতর্ক করলেও নিজেকে কোনোরূপ সংশোধন না করে একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করায় সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতিসহ ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় গত ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশনের ৪র্থ পরিষদের নবম সাধারণ সভায় ৯০ দিনের বেতন পরিশোধ পূর্বক নির্দেশক্রমে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো। এই আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে। অফিস আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া এই ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের চিঠিতে বরখাস্তের কারন উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন চাকরিচ্যুতরা। চাকরিচ্যুত হওয়া বিসিসির পানি শাখার হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সিটি কর্পোরেশনের একজন লোক বাসায় এসে বরখাস্তের চিঠি দিয়ে গেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে তিন মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু সেই টাকা আমি পাইনি। তাছাড়া সিটি কর্পোরেশনের কাছে ১৫ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগে বিসিসির প্রধান বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে উৎকোচ গ্রহণ ও ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ঠিকাদারকে বিল প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স সুপারিনটেনডেন্ট আজিজ শাহীনকে নামে বেনামে স্বজনদের বিপরীতে কর্পোরেশনের স্টল বরাদ্দ দেওয়া, একই অভিযোগে বাজার সুপারিনটেনডেন্ট নুরুল ইসলাম এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে বিসিসির রাস্তা খুঁড়তে সহায়তা করায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT