4:03 pm , March 18, 2026
বিশেষ প্রতিবেদক ॥
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বরিশাল নদীবন্দরে ধীর গতির উন্নয়ন কার্যক্রমের ধাক্কায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ চরমে। গত দু’বছর ধরে এ নদীবন্দরে ধীরলয়ে নির্মানাধীন টার্মিনাল ভবন সহ পার্কিং ইয়ার্ড’র কাজ চলমান থাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নির্মান সামগ্রীর কারণে সাধারন যাত্রীদের দুর্ভোগের সাথে চলাচলে ঝুঁকিও বাড়ছে।
বুধবার ভোরে ১০টি বেসরকারী যাত্রী বোঝাই নৌযান বরিশাল বন্দরে পৌছলেও যাত্রীদের নিরাপদ প্রস্থানের জন্য যানবাহনের পার্কিং ব্যবস্থা ছিল চরম বিশৃঙ্খল। এবারের ঈদের আগে পরে যে প্রায় ১০ লাখ যাত্রী বরিশাল হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াত করবেন তার ৮০ ভাগই এ বন্দর ব্যবহার করবেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই টার্মিনাল এলাকার মূল পার্কিং ইয়াডের্র মধ্য-উত্তর পাশে বালু ও টাইলস সামগ্রীর মত পশ্চিম পাশে ইটের খোয়ার বিশাল স্তুপ নারী ও শিশু সহ সব যাত্রীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সাথে ঝুঁকিও সৃষ্টি করছে।
বিষয়টি চেয়ারমানের নজরে আনলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান।
এদিকে গত মঙ্গলবার নৌ পরিবহন এবং সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বরিশাল ও পটুয়াখালী সফরকালে নদীবন্দরের টার্মিনাল পরিদর্শনের কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত তিনি আসেননি। সাধারন যাত্রীদের অভিযোগ, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদীবন্দর হলেও বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কোন নজর নেই । এমনকি এ নদীবন্দরের পদে পদে যাত্রীদের ভোগান্তী ও হয়রানী অব্যাহত থাকলেও তার খোঁজ খবর কেউ রাখেন না । এ নদী বন্দরের দেখভালের জন্য যুগ্ম পরিচালক বা উপ পরিচালক এর দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও বিগত সরকার আমলে এখানে একজন সহকারী পরিচালককে দুটি দপ্তরের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ফলে অনেক কিছুর মত এ নদীবন্দরে যাত্রী সুবিধা নিশ্চিত হবার পরিবর্তে তা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তবে বিগত সরকার আমলে এ বন্দরে প্রবেশ ফি ৫ টাকার স্থলে একলাফে ১০ টাকায় উন্নীত হয়েছে।
