4:26 pm , January 27, 2026
জিয়া উদ্দিন বাবু ॥
নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবসা শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় মামলার বাদী মো: সেকান্দার আলী,সাবেক প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম, শিক্ষক শেখ জেবুন্নেছা,ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ জারী করা হয়।
২০২৪ সালের ৬ মে হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ শিক্ষার্থী অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। এরপর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হলে তারা মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্ট প্রদান করেন। এরপর শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে বরখাস্ত করেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষক মাইদুলকে বরখাস্ত করেই থেমে থাকেননি স্কুলটির কোচিং বানিজ্যকারীরা।তারা এক শিক্ষার্থীর আত্মীয়কে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুয়া একটি মামলা দায়ের করান। ট্রাইব্যুনাল মামলাটি পিবিআইতে তদন্তের জন্য প্রেরন করেন।পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল বাশার তদন্ত রিপোর্টে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী সেকান্দার আলীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে শিক্ষক মাইদুল ইসলাম পুনরায় তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তদন্তের আদেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ পেয়ে তদন্ত করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা। সম্প্রতি ট্রাইব্যুনালে ১৪ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা শেষে উপরোক্ত আদেশ প্রদান করেন।
শিক্ষক মাইদুল ইসলাম বলেন,আমার বিরুদ্ধে সেকান্দার আলী মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে এবং মিথ্যা মামলার বাদিকে সহযোগিতা করেছেন সাবেক প্রধান শিক্ষক,সাবেক সভাপতি,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক। আমি কোচিং বানিজ্যের বিরোধীতা করায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।
