4:34 pm , January 16, 2026
মুলাদীতে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পরীক্ষা
মুলাদী প্রতিবেদক ॥
বরিশালের মুলাদীতে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছে ৩ যুবক। বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে আতঙ্কিত জনতা ধাওয়া দিয়ে মোটরসাইকেলসহ ২জনকে আটক করে। ওই সময় হাতবোমার ব্যাগসহ পলাশ রাড়ী (২৬) নামের এক যুবক পালিয়ে যান। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া গ্রামের জয়ন্তী নদীর উত্তরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। পালিয়েযাওয়া যুবকের দুই ব্যাগে শতাধিক হাতবোমা রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন আটক যুবকেরা।
আটককৃতরা হলেন, সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর পাতারচর গ্রামের কাঞ্চন ব্যাপারীর ছেলে সোহাগ ব্যাপারী (২৩) এবং আনছার খানের ছেলে রুবেল খান (২২)। পালিয়ে যাওয়া যুবক পলাশ রাড়ী একই গ্রামের ফারুক রাড়ীর ছেলে।
চরমালিয়া গ্রামের আব্দুল হাকিম ফকির জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোটরসাইকেলে ৩ যুবক চরমালিয়া বাজারের কাছে আসে। তারা দুটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরনের শব্দে চরমালিয়া বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে মোটরসাইকেলসহ চালক রুবেল ও সোহাগ ব্যাপারীকে আটক করেন। ওই সময় এক যুবক দুই ব্যাগ হাতে দৌড়ে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া যুবকের ব্যাগে শতাধিক হাতবোমা ছিল।
আটক যুবক সোহাগ ব্যাপারী পুলিশকে জানান, তিনি ও পলাশ রাড়ী দুটি ব্যাগে হাতবোমা নিয়ে উত্তর পাতারচর এলাকায় ফিরছিলেন। চরমালিয়া বাজারের কাছে পৌছে হাতবোমা ঠিক আছে কিনা পরীক্ষার জন্য দুটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পরীক্ষা করেন। ওই সময় জনতা তাকে আটক করেছেন। তবে সোহাগ ব্যাপারীর দাবি, হাতবোমাগুলো কী উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে তা তিনি জানেন না।
মুলাদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিন হোসেন বলেন, আটক যুবকেরা হাতবোমা বহন ও পরীক্ষা করার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। হাতবোমাগুলো উদ্ধার ও পালিয়ে যাওয়া যুবককে খুঁজে বের করতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে।
