4:21 pm , April 8, 2026
হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ব্যাটারী চালিত হলুদ অটো রিক্সার চাপায় প্রান গেল নগরীর শের-ই-বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী চৌতি আক্তারের। বুধবার স্কুল ছুটির পরে স্কুলের সামনের সড়কে এ দূর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশাল সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি ওই শিক্ষার্থীর। সন্ধ্যার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। চৌতি নগরীর জিয়া সড়কে বাংলালিংক টাওয়ার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় মায়ের সাথে বসবাস করতেন। তার বাবা মোশারেফ হোসেন ময়মনসিংহে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন।
চৌতির মা বলেন চৌতি তার একমাত্র মেয়ে। বুধাবার স্কুল ছুটি শেষে চৌতি বাড়ি ফিরছিলো। স্কুলের সামনের রাস্তা পাড়াপাড়ের সময় পিছন থেকে একটি অটো এসে তাকে চাপা দেয়। পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে কোন চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হলেও এক ঘন্টাও কোন চিকিৎসক চিকিৎসা দেননি। তখনো বেচে ছিলো চৌতি। এরপর এক নার্স এসে একটি স্যালাইন দেওয়ার পর মৃত্যু ঘটে তার। চৌতির স্কুলের শিক্ষকরা বলেন দূর্ঘটনার পর চৌতি কথা বলেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রথমে চিকিৎসা পেলে হয়ত বেচে থাকতে পরত মেয়েটা। কিন্তুু ডাক্তারা তার কোন চিকিৎসাই করেনি। তার মৃত্যুর দায় সম্পূর্ন চিকিৎসকদের।
শিক্ষকরা আরো বলেন স্কুলের সামনে স্প্রিড ব্রেকার না থাকাটাই মূলত দূর্ঘটনার কারন। আমরা সিটি করপোরেশনকে ৬ মাস আগে একাধিকবার অনুরোধ করেছি দুটি স্প্রীড ব্রেকার দিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা কোন কর্নপাত করেনি।
