4:16 pm , April 6, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
নগরীর বান্দরোড এলাকায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ কোয়ার্টারের গেটে দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা এই চাঁদাবাজি বন্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। সোমবার সঞ্জয় চন্দ্র রায় নামে এক ফল বিক্রেতা এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত চাঁদাবাজ মামুন হাওলাদার ১১ নং ওয়ার্ডস্থ চরেরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মৃত শাহজাহান হাওলাদার এর ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, সঞ্জয় চন্দ্র রায় বান্দ রোড চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ কোয়ার্টারের গেটে দীর্ঘদিন থেকে ভ্রাম্যমানভাবে ফল বিক্রি করে আসছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবী ও ছিঁচকে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মামুন গেট সহ আশপাশে থাকা বেশ কিছু দোকান থেকে চাঁদা তুলে আসছে। নিজেকে ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে প্রতি দোকান থেকে ৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দৈনিক ভিত্তিতে চাঁদা তুলতো সে। এই চাঁদার টাকা মামুন প্রতিটি দোকান থেকে ৩ মাসের হিসেব করে একসাথে নিয়ে নিতো। একরকম জিম্মি হয়েই তাকে ঐ সময় সবাই টাকা দিয়ে আসছে বলে জানায় সঞ্জয় চন্দ্র রায়। স্থানীয়ভাবে পারিবারিক প্রভাব, যুবলীগ নেতা পরিচয় সহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় মামুনের সাথে কেউ এ নিয়ে প্রতিবাদ করেনি। কিন্তু আওয়ামী সরকার পতনের পর তিনি (সঞ্জয় চন্দ্র রায়) ভবিষ্যতে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর পরেও মামুন হাওলাদার নানাভাবে টাকা দাবি করে আসছে। এর প্রেক্ষিতে একাধিকবার মামুন, মামুনের স্ত্রী সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে বাগবিতন্ডা হয়। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মামুন এসে চাঁদার ৩ মাসের টাকা একসাথে দাবি করে। কোনো চাঁদা দেয়া হবেনা বললে মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান তুলে ফেলা সহ সঞ্জয় চন্দ্র রায়কে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এর ৩দিন পর মামুনের স্ত্রী এসে মামুনের পক্ষ হয়ে পুনরায় একই হুমকি দিয়ে গেছে বলে অভিযোগে জানায় সঞ্জয় চন্দ্র রায়। তিনি আরও বলেন-মামুনের যন্ত্রনায় মেডিকেল এলাকার ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
