3:52 pm , October 28, 2025
ভান্ডারিয়া প্রতিবেদক ॥ কওমী মাদ্রাসার নাজেরা শাখার আবাসিক ছাত্র ছয় বছরের শিশু ওসমান মল্লিক। সে পিরোজপুরের ভা-ারিয়ার ধাওয়া দারুল উলুম হাফিজিয়া কওমী মাদ্রাসার নাজেরা শাখার ছাত্র। দুইদফা মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি যওয়ায় শিশুটির পায়ে শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ অবস্থায় চলছিলো পাঠদান। শিকলে শিশুটির পায়ে ব্যাথা হয়ে যায়। তবু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশু ওসমান মল্লিকের পা শিকলে বেঁধে পাঠদান করাচ্ছিলেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন এর মাধ্যমে ভা-ারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার খবর পেয়ে ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে শিশু ইয়াসিন মল্লিক কে শিকলমুক্ত করার ব্যবস্থা করেন। ইয়াসিন ভা-ারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের কালাম মল্লিকের ছেলে।
নাজেরা শাখার শিক্ষক মো: ইয়াহিয়া দাবি করেন, শিশুটি দুইদফা মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পর ইয়াসিনের বড় ভাই আবুবকর মল্লিক শিকল ও তালা দিয়ে যান। তার কথামত শিশুটির এক পায়ে শিকল পড়াতে হয়েছিলো। তবে শিশুটিকে শিকলমুক্ত করা হয়েছে।
শিশু ইয়াসিনের বড় ভাই আবু বকর বলেন, ইয়াসিন মনোযোগ দিয়ে পড়তে চায়না। দুইবার মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে আসে। পড়তে যেতে চায়না । এ কারনে মাদ্রাসায় শিকল দিয়ে এসেছিলাম। শুনেছি মাদ্রাসার শিক্ষকরা তার শিকল খুলে দিয়েছে। এমন কাজ আর হবেনা।
ভা-ারিয়া থানার উপ পরিদর্শক কাইউম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই শিশুটির পায়ের শিকল খুলে দেওয়া হয়েছে। শিশুটির অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে এমন কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
