খালের জমি উদ্ধারে বিসিসির নোটিশ ॥ শেষসম্বল রক্ষায় ৪০ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন খালের জমি উদ্ধারে বিসিসির নোটিশ ॥ শেষসম্বল রক্ষায় ৪০ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন - ajkerparibartan.com
খালের জমি উদ্ধারে বিসিসির নোটিশ ॥ শেষসম্বল রক্ষায় ৪০ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

3:28 pm , October 11, 2025

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ হোল্ডিং, বাড়ির প্লান এবং জমির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্যেও ৪০টি পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তারা অভিযোগ করেছেন, কথিত শোভারাণীর খালের জমি উদ্ধারের নামে তাদের নোটিশ দিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, জীবনের শেষ সম্বল জমি এবং বাড়িটুকু হারালে পথে বসতে হবে তাদের। শনিবার দুপুরের দিকে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগকারীরা বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভিআইপি শাখা সড়কের বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মজিবর রহমান বলেন, “পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভিআইপি শাখা সড়কে জে.এল. ৫০ নম্বর বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এস, এ. ১৩৬৪০নং খতিয়ানের হাল ৬১৯০ নম্বর দাগের জমিতে আমরা সকলে যে যার মত ভবন নির্মাণ করেছি। এ লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন থেকে হোল্ডিং, বাড়ির প্লান পাস করা হয়েছে। তাছাড়া ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর সিটি করপোরেশন থেকে আমরা ভবন নির্মাণের জন্য অনাপত্তি সনদ পেয়েছি।
তারা আরও জানান, ওই জমির বিষয়ে বরিশালের ৬ষ্ঠ মুন্সেফী আদালতের দেওয়ানী মামলা ও ডিক্রী অনুবলে বাংলাদেশ সরকার পক্ষে জেলা প্রশাসক, বরিশাল গংদের বিরুদ্ধে বরিশালের ২য় অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের দেওয়ানী আপীল মামলার রায় প্রাপ্ত আমাদের পক্ষে রয়েছে। উক্ত রায়ে ডিক্রী বহাল ও বলবৎ আছে।
তাছাড়া বিরোধীয় ভূমি সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রীট পিটিশন ২৬৪৩/২০২২ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে স্থিতিবস্থার আদেশ বহাল আছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ২৪ আগস্ট স্থিতিবস্থার আদেশ ৬ মাসের জন্য বর্ধিত করা হয়েছে।
তারা বলেন, আমাদের জমির কাজপত্র ও বিসিসি থেকে দেয়া প্লান কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্যেও গত ২৯ সেপ্টেম্বর আমাদের প্লানের কাগজপত্র চেয়ে নোটিশ করে। ৬ অক্টোবর আমরা প্লানের কাগজপত্র বিসিসিতে জমা দিয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন- একটি কু-চক্রিমহল তাদের জমিকে খালের জমি হিসাবে চিহ্নিত করে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারকে ভুল বুঝিয়েছেন। তাই আমরা আবারও গত ৯ অক্টোবর বিভাগীয় কমিশনারের সাথে দেখা করে জমির কাগজপত্র ও প্লানের বিষয় অবগত করেছি। সরেজমিনে তদন্ত করে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
তারা বলেন, আমরা এখানে যারা বসবাস করি বেশিভাগ পরিবারই সরকারি চাকরিজীবী ছিলাম। জীবনের সমস্ত সঞ্চয়ের মাধ্যমে এবং ধার দেনা করে সিটি করপোরেশনের আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধি মেনে ইমারত নির্মাণ করেছি। আমাদের সামান্য পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হলে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT