3:13 pm , October 7, 2025
হিজলা প্রতিবেদক ॥ ‘দেড় বছর ধরে আমার স্বামী আমাদেরকে রেখে চলে গেছে। আমার চার ছেলে-মেয়ে নিয়ে এখন বড়ই অসহায়। ঠিকমত তিনবেলা ভেতে পারিনা। ছেলেকে পড়ালেখা রেখে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হয়’ এভাবেই দুই বছরের কন্যা সন্তান রিমিকে কোলে নিয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলছিলেন চার সন্তানের জননী মারুফা বেগম। হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামের মারুফা বেগম চার সন্তান নিয়ে এভাবেই অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছেন। পান না কোনো সরকারি সাহায্য সহযোগিতা। একই গ্রামের নুরুল ইসলাম মাতাব্বর এর ছেলে রাসেল মাতাব্বর এর সাথে চৌদ্দবছর আগে বিয়ে হয় মারুফা বেগমের।
সুখে শান্তিতে কাটছিল তাদের সংসার। কিন্তু বছর দেড়েক আগে বাথুয়া গ্রামের নজির হাওলাদার এর বিবাহিত মেয়ে খালেদার সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে যান রাসেল। সম্পর্ক গভীর হলে একদিন খালেদাকে নিয়ে পালিয়ে যায় রাসেল মাতাব্বর। অনেক খোঁজাখুঁজি পরে পরিবার জানতে পারে তারা ঢাকায় আছেন। এখন স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ খবর নেন না রাসেল।
সিফাতের দাদা নুরুল ইসলাম বলেন, রাসেল চলে যাওয়ার পর ওদের বেশিরভাগ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। আমার বয়স হয়েছে তেমন কাজ করতে পারি না। আমার নাতি সিফাত স্কুলে যেতো। এখন পড়ালেখা বাদ দিয়ে মাছ ধরতে যায়। ওদের নামে কোনো সরকারি কার্ডও নাই।
