3:37 pm , August 25, 2025
লালমোহন প্রতিবেদক ॥ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমোহনগামী এমভি মানিক-১১ লঞ্চ থেকে মধ্যরাতে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে মেঘনা নদীতে ঝাঁপিয়েপড়া যুবকের নাম মো: খলিল। তিনি লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন খলিল। সোমবার দিনব্যাপী খলিলের দুই ভাই মনির ও মফিজ ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীর চাঁদপুর, হিজলা ও কালিগঞ্জ এলাকায় খুঁজতে থাকেন। তারা ভাইয়ের লাশটাও যেন পায় এই আশায় নদীতেই কাটান সারাদিন। এরআগে ভাই মনির বরিশালের হিজলা থানায় খলিলের নিখোঁজ থাকায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে নিখোঁজ খলিলের স্ত্রী ও ৩টি শিশু সন্তান রয়েছে। তারাও এখন অসহায়। খলিল কয়েকমাস আগে সন্ত্রাসী হামলায় মাথায় এবং অন্যান্য শারীরিক আঘাতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। চিকিৎসার পরও সে স্বাভাবিক হয়নি বলে পরিবার জানায়। রবিবার রাতে কালিগঞ্জ নামক স্থানে মানিক-১১ থেকে ঝাঁপ দেয় খলিল। ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা সদরঘাট থেকে ভোলার লালমোহনগামী এমভি মানিক-১১ লঞ্চ ছেড়ে আসে। ওই লঞ্চে চরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় খলিল। লঞ্চের পরিদর্শক বাবু জানান, এক ব্যক্তি লঞ্চ ছাড়ার পর থেকে পেছনে গিয়ে কার্নিশে গান গাইতে থাকে। তাকে আমরা লঞ্চের ভেতরে আনার চেষ্টা করি। কিন্তু তিনি রান্না করার খুন্তি দিয়ে মারতে তেড়ে আসেন। যাত্রীদের সূত্র জানায়, লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে। লোকটি মানসিক প্রতিবন্ধী হলেও সে অনিরাপদভাবে লঞ্চের পেছনের কার্নিশে প্রায় ৪ ঘন্টা অবস্থান করার পরও তাকে ভেতরে আনার জন্য জোর চেস্টা করা হয়নি।
