কাউখালী দক্ষিণ বাজারের খেয়া ঘাটের রাস্তার বেহাল দশা কাউখালী দক্ষিণ বাজারের খেয়া ঘাটের রাস্তার বেহাল দশা - ajkerparibartan.com
কাউখালী দক্ষিণ বাজারের খেয়া ঘাটের রাস্তার বেহাল দশা

4:36 pm , July 11, 2025

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, কাউখালী প্রতিবেদক ॥ কাউখালী উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাজারের টলসেট থেকে চালপট্টি হয়ে খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় ৩০০ ফুট রাস্তার বেহালদশা। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এই খেয়া ঘাটের রাস্তা দিয়ে উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ধাবরী, বান্দাকান্দা, সয়না, মেঘপাল, রঘুনাথপুর গ্রামের মানুষের কাউখালী বাজারে আসার অন্যতম সহজ রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকজন চলাচল করে। অথচ এ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তার উপর পানি থৈ থৈ করে। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার দুই পাশের প্রায় ৫০টি বিভিন্ন ধরনের দোকানে পানি ওঠে। ফলে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তারা জানান, বৃষ্টির সময় তাদের দোকানপাট বন্ধ থাকে। কোন ক্রেতা বিক্রেতা এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে না। ফলে আমরা অসহায় হয়ে পড়ি। ব্যবসা-বাণিজ্য করতে না পেরে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হই। ব্যবসায়ী বাচ্চু বলেন, বৃষ্টির সময় হাঁটু পর্যন্ত পানি হয় এই সড়কে। ফলে আমরা কোন বেচাকিনা করতে পারিনা। বাড়ি থেকে টাকা এনে দোকান ভাড়া দিতে হয়। ব্যবসায়ী পলাশ সাহা, সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের দুঃখের কোন শেষ নেই। এই কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে কোন ক্রেতা আমাদের দোকানে ক্রয় করতে আসে না। ফলে আমাদের বেচাকিনা একেবারে কমে গেছে। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়েছি। অবিলম্বে সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি অবগত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে অবগত করেছি?। আশা করি কিছুদিনের মধ্যে উক্ত সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হবে ।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT