প্রফেসরদের দায়িত্ব নিশ্চিত করা নিয়ে কথা বলায় উত্তেজিত উপাধ্যক্ষ ডা. নাজিমুল হক প্রফেসরদের দায়িত্ব নিশ্চিত করা নিয়ে কথা বলায় উত্তেজিত উপাধ্যক্ষ ডা. নাজিমুল হক - ajkerparibartan.com
প্রফেসরদের দায়িত্ব নিশ্চিত করা নিয়ে কথা বলায় উত্তেজিত উপাধ্যক্ষ ডা. নাজিমুল হক

4:05 pm , July 9, 2024

দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন শেবাচিমের চিকিৎসকরা

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতির কক্ষে দুই চিকিৎসকের মধ্যে বাগবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে। এতে করে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন চিকিৎসকরা। সমস্যার সমাধানে তাৎক্ষনিক বৈঠক করেছেন হাসপাতালের পরিচালক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল দুপুরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির ১৪৭ নম্বর কক্ষে চিকিৎসকদের বৈঠক চলছিল। ওই বৈঠকে হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর আলম ওয়ার্ডে প্রফেসরদের রাউন্ডে না যাওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ সময় শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও সার্জারী ইউনিট প্রধান ডা. নাজিমুল হক তাকে ভৎসনা করেন। এ নিয়ে দুই চিকিৎসকের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়।
এক পর্যায়ে উপস্থিত চিকিৎসকরা তাদের নিবৃত্ত করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েনে হাসপাতাল ও কলেজের শিক্ষকরা। এক পর্যায়ে সহকারি পরিচালক তার উর্ধতন কর্মকর্তা নাজিমুল হকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন হাসপাতালের পরিচালক।
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রফেসর রয়েছেন ৬ জন, মেডিকেল কলেজে ক্লাশ নেয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে ওয়ার্ডে রাউন্ড এর দায়িত্ব রয়েছেন তারা। কিন্তু বেশীরভাগ সময় তাদের অনুপস্থিত থাকার কারনে রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ওই বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় এ ধরনের বাগবিতন্ডার ঘটনা ঘটে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন।
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (অর্থ ও ভান্ডার) সহকারি পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর আলম বলেন, বৈঠকে উপাধ্যক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেছিলাম প্রফেসর লেবেলে যারা আছেন তাদের ওয়ার্ডে রাউন্ডের বিষয়টি। এতে করে উপাধ্যক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় আমিও কিছু কথা বলে ফেলি। ওয়ার্ডে রাউন্ডে প্রফেসরদের যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই মুলত বিষয়টি উত্থাপন করি। উপাধ্যক্ষের দাবি হচ্ছে প্রফেসররা প্রতিদিনই রাউন্ডে আসেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালের যাতে দুর্ণাম না হয়। যারা চিকিৎসা সেবা নিতে এসেছেন তারা যেন চিকিৎসা পায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাচ্ছিলাম। এর বেশী কিছু নয়। যখন বলি তাদের রাউন্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তখন উপাধ্যক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। হয়ত আমি কিছুটা উত্তেজিত হয়েছি। উপাধ্যক্ষ মুরবী মানুষ, তিনি হয়তো আমার উত্তেজিত হওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি।
তবে এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজী হননি উপাধ্যক্ষ ও সার্জারী ওয়ার্ড প্রধান ডা. নাজিমুল হক।
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বিষয়টিকে দুঃখজনক অবহিত করে বলেন, উপাধ্যক্ষের সাথে সহকারি পরিচালকের কথা কাটাকাটি হয়েছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার সাথে সাথে সকলকে নিয়ে বৈঠক করে সমাধানে এসেছি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT