গৌরনদী পৌরসভার উপ-নির্বাচনে কেন্দ্রে আসতে বাধা ॥ হামলা-পাল্টা হামলায় আহত ১০ গৌরনদী পৌরসভার উপ-নির্বাচনে কেন্দ্রে আসতে বাধা ॥ হামলা-পাল্টা হামলায় আহত ১০ - ajkerparibartan.com
গৌরনদী পৌরসভার উপ-নির্বাচনে কেন্দ্রে আসতে বাধা ॥ হামলা-পাল্টা হামলায় আহত ১০

4:09 pm , June 26, 2024

গৌরনদী প্রতিনিধি ॥ বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে বুধবার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের আসতে বাধাদানকে কেন্দ্র করে হামলা-পাল্টা হামলায় ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জনকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি। আহতরা হলেন : গৌরনদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও নারিকেল গাছ প্রতীকের সমর্থক মোঃ লিটন বেপারী, গৌরনদী পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর খায়রুন নাহার, সাত্তার মোল্লা (৭০), সুখমনি বেগম (২৯) ময়না বেগমকে (৩০), পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম সরদার ও সোহান খান (২৫)সহ ১০জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গৌরনদী পৌরসভার মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে বুধবার ভোট শুরুর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে গৌরনদী পৌরসভার পালরদী, টরকী, হরিসোনা ও কাসেমাবাদ এলাকায় কেন্দ্রে থেকে ৫/৭শ গজ দূরে মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা ভোটারদের আসতে বাধা দেয়। এতে প্রতিবাদ করায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।
গৌরনদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও নারিকেল গাছ প্রতীকের সমর্থক মোঃ লিটন বেপারী অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৮টার দিকে গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ও মোবাইল ফোন প্রতীকের সমর্থক মোঃ লুৎফর রহমান পালরদী মৎস্য খামার ভোট কেন্দ্রের সন্নিকটে দাসবাড়ি নামক স্থানে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়। খবর পেয়ে আমি সেখানে গেলে লুৎফর বোমা হামলা করে আমার ও আমার সমর্থকদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আমাকেসহ ৫ জনকে আহত করে। গৌরনদী পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর খায়রুন নাহার অভিযোগ করে বলেন, ভোট কেন্দ্রে আসার পথে বেলা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান হামলা করে আমাকে, সুখমনি বেগম, ময়না বেগম বেগমকে পিটিয়ে আহত করে। লুৎফর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন , আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সঠিক নয়। বোমা হামলার ঘটনা ঘটেনি। হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে তবে তাও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছেন।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম সরদার অভিযোগ করে বলেন, কাসেমাবাদ মার্কেট থেকে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে কাসেমাবাদ আলীয়া কামিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পথে কেন্দের  পূর্ব পাশে পৌঁছলে মোবাইল ফোন প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সমর্থক সোহান খানসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমাকে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা জানান, এ হামলার জের ধরে মাসুম সরদারের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে  সোহান খানকে কুপিয়ে জখম করেছে। আহত মাসুম সরদার  ও সোহান খানকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ হামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাসুম সরদার ও  সোহান খান একে অপরকে দায়ী করেন।
গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোঃ মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ভোট কেন্দ্রের বাইরে কয়েকটি স্থানে বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে কিন্তু ভোট কেন্দ্রের ভেতরে কোথাও কোন ঘটনা ঘটেনি। নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আলাউদ্দিন ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার ভোটারদের কেন্দ্রে বাধা দেওয়া হয়েছে। পথে পথে বোমা হামলা করে কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। তবে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনের প্রার্থী এইচএম, জয়নাল আবেদীন বলেন, ফিশারি অফিস কেন্দ্রে আমার এজেন্টেদের বের করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ভোট সুষ্ঠু হয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT