জোয়ারের পানিতে ভেজা চাল রক্ষার শেষ চেষ্টা করছেন আড়তদাররা জোয়ারের পানিতে ভেজা চাল রক্ষার শেষ চেষ্টা করছেন আড়তদাররা - ajkerparibartan.com
জোয়ারের পানিতে ভেজা চাল রক্ষার শেষ চেষ্টা করছেন আড়তদাররা

4:03 pm , May 29, 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারনে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে নগরীর ফরিয়াপট্টির চালের আড়তের ভিজে যাওয়া চাল রক্ষার শেষ চেষ্টা করছেন আড়তদাড়রা। কয়েক কোটি টাকার চাল ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে।  এরমধ্যে যা উদ্ধার করতে পেরেছেন তা রক্ষার চেষ্টায় নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সোমবার দিনভর শুকানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তবে সারাদিনে সামান্যই রোদের দেখা মেলায় এই চেষ্টায়ও ব্যর্থ হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এসকল চাল মানুষের খাবার উপযোগী নেই বলেজানিয়েছেন একাধিক আড়তদার। এখন কিছুটা শুকিয়ে যদি মাছের খাদ্য হিসেবেও বিক্রি করতে পারেন তাতেও হয়ত শ্রমিকদের খরচ উঠে আসতে পারে বলে জানান।
সোমবার সকালে ঈদগাহ মাঠে গিয়ে দেখাযায়, বিভিন্ন বাহনে করে শত শতে বস্তা নানা ধরনের ভেজা চাল আনা হয়। এই চালগুলো মাঠে শুকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে মাঠে আনা বেশিরভাগ চাল থেকেই পচা দুর্গন্ধ বের হয়েছে। সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা বলেন, প্রত্যেকটি আড়তে শত শত বস্তা চাল ভিজে শেষ হয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে ভিজে ৫০ কেজির একেকটি চালের বস্তার ওজন প্রায় দিগুন হয়ে গেছে। সোমবার রাত থেকে শুরু করে এই বস্তাগুলো আড়ত থেকে বের করার কাজ করছেন তারা। প্রয়োজনের তুলনায় শ্রমিক না থাকায় সবাই এখনও সব ভেজা চালের বস্তা বের করে আনতে পারেনি এখনও। যা বের করেছেন তা আনা হয়েছে শুকিয়ে অন্তত মাছের খাবার হিসেবে যদি ব্যবহার করা যায়। তবে রোদ ছিলনা পর্যাপ্ত। এছাড়া আবারও বৃষ্টি হওয়ার শংকাও রয়েছে। শেষমেষ হয়ত খুব সামান্যই রক্ষা করা যেতে পারে বলে জানান শ্রমিকরা।
চালের আড়ত মিতালী ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী তারিকুল আহসান রাসেল বলেন, বড় বড় প্রত্যেক আড়তে শত শত বস্তা ভেজা চাল বের করে আনা হচ্ছে দুই দিন ধরে। প্রায় সব চাল মানুষের খাওয়ার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ইতিমধ্যে। শুকানোর চেষ্টায় বুধবার সকালেই নগরীর ঈদগাহ মাঠে পাঠিয়েছেন। রোদ না থাকায় তাতেও কোন লাভ হয়নি। এখন শংকা এই চাল কোন রকম শুকাতে না পারলে মাছের খাবার হিসেবেও বিক্রি করা যাবেনা। এখনও অনেক ভেজা চাল আড়ত থেকে বের করে আনা যাচ্ছেনা শ্রমিকদের অভাবে। আর একদিন এমন স্তুপ করা থাকলে এই চালে পোকা হয়ে যাবে বলে জানান তারিকুল আহসান রাসেল। এরপর খালে ফেলে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
উল্লেখ্য, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালে পুরো নগরী জোয়ারের তলিয়ে যায় হাটুজলে। সোমবার থেকে দুই দফায় হয় এই জলোচ্ছাস। এতে নগরীর ফরিয়াপট্টির  প্রায় ৩২ টি বড় সহ মোট প্রায় অর্ধশত চালের  আড়তে পানি ঢুকে ভিজে যায় কয়েক কোটি টাকার নানা ধরনের চাল।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT