মুলাদীতে জামানত হারিয়েছেন এক প্রার্থী মুলাদীতে জামানত হারিয়েছেন এক প্রার্থী - ajkerparibartan.com
মুলাদীতে জামানত হারিয়েছেন এক প্রার্থী

3:52 pm , May 22, 2024

মুলাদী প্রতিবেদক ॥ মুলাদীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন নতুন প্রার্থীরা। বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের কেউ নির্বাচিত হতে পারেননি। এদের মধ্যে বেশি চমক দেখিয়েছেন কেন্দ্রিয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন খসরু। তিনি প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তারিকুল হাসান খান মিঠুকে পরাজিত করেছেন। উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদা আক্তার শোভাও প্রথমবার নির্বাচনে নেমে জয়লাভ করেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. অহিদুজ্জামান তালুকদার আনোয়ার বিগত নির্বাচনে পরাজিত হলেও এবার তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলা নির্বাচনে ৭ জনের মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী তারেক আহমদ খান জামানত হারিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩জন এবং ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন করে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। গত ২১ মে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবলীগ নেতা মো. জহির উদ্দিন খসরু দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৩ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান খান মিঠু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৯৯৩ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. অহিদুজ্জামান তালুকদার আনোয়ার উড়োজাহাজ প্রতীকে ৩১ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মাইনুল আহসান সবুজ পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৪০ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মাকসুদা আক্তার শোভা লাঙল প্রতীকে ৩২ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন পেয়েছেন ২৩ হাজার ৫৪৩ ভোট। এছাড়া চেয়ারম্যান পদে অপর প্রার্থী তারেক আহমদ খান পেয়েছেন ১৩৩ ভোট। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম খান বলেন, উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬১ হাজার ৪২৩। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ১ হাজার ২৬০ ভোট। কোনো প্রার্থীর জামানত বাঁচাতে প্রয়োগকৃত বৈধ ভোটের ৮ ভাগের একভাগ পেতে হয়। সেক্ষেত্রে জামানত বাচাতে প্রার্থীর প্রয়োজন ছিলো ৭হাজার ৫২০ ভোট। তাই তারেক আহমদ খান জামানত হারিয়েছেন।
মুলাদী কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন প্যাদা বলেন, সাধারণ মানুষের চাহিদার পরিবর্তন হওয়ায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান কেহই এবার নির্বাচিত হতে পারেননি। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভক্তি, চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানদের ব্যর্থতা এবং দলীয় প্রতীক না থাকায় সাধারণ ভোটারেরা নতুন প্রার্থীদের বেছে নিয়েছেন।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT