ঈদের কেনাকাটায় চাহিদার শীর্ষে পাকিস্তানি টুপি ঈদের কেনাকাটায় চাহিদার শীর্ষে পাকিস্তানি টুপি - ajkerparibartan.com
ঈদের কেনাকাটায় চাহিদার শীর্ষে পাকিস্তানি টুপি

3:58 pm , April 7, 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আর মাত্র দুইদিন পড়ে ঈদুল ফিতর। ঈদকে কেন্দ্র করে পুরুষদের জন্য এখনো হালফ্যাশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক পাঞ্জাবি। সেই সঙ্গে অন্যতম অনুষঙ্গ টুপি। ঈদের আমেজে পরিপূর্ণ সাজতে এবার পাকিস্তানি টুপির চাহিদা বেশি। নগরের বিভিন্ন স্থানে মার্কেট ও ফুটপাতে জমজমাট টুপি বেচাকেনা। ৭ এপ্রিল  সরেজমিনে বরিশাল নগরির কসাই মসজিদের  সামনে দেখা গেছে বাহারি ধরনের সারি সারি টুপি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। দেশি-বিদেশিসহ বৈচিত্র্যময় টুপি পাওয়া যাচ্ছে সুলভমূল্যে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রমজানের ঈদ থেকে কোরবানির ঈদ পর্যন্ত টুপির চাহিদা থাকে অনেক। সেই অনুযায়ী এবার ১৫ রমজানের পর থেকেই টুপি বেচাকেনা বেড়েছে। মানভেদে  শপিং কমপ্লেক্সে ও ফুটপাতের এই টুপি ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাহিদা পাকিস্তানি ও কাশ্মিরি টুপির। এছাড়াও আজমির শরিফ, দিল্লির টুপির চাহিদা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, মূলত এখানে দেশি টুপির পাশাপাশি পাকিস্তানি ও ভারতীয় টুপি রয়েছে। এছাড়াও চীন, মিশর, আফগানি টুপিও রয়েছে। কম দামে বৈচিত্র্যময় নকশার কারণে এগুলোর চাহিদা বেশি। দেশি-বিদেশি এসব টুপি খদ্দর বাজার শপিং কমপ্লেক্স, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, চকবাজার থেকে আনেন বলে জানান তারা।
এই ফুটপাতে ৩০০ থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাকিস্তানি টুপি রয়েছে। ভারতীয় টুপি পাওয়া যাচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। এছাড়াও চীনা টুপি রয়েছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। ছোট পুঁথির সাথে সোনালি কাজ করা প্রতিটি দেশি টুপি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকায়। এছাড়াও নেটের তৈরি চীনা টুপি ১৫০ টাকা ও তুর্কির টুপি ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন দোকানিরা।
আবু রায়হান নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, শহরের বিভিন্ন পাঞ্জাবি দোকানের চেয়ে এখানে তুলনামূলক কম দামে টুপি পাওয়া যায়।  প্রতিদিন ২০০ টুপি বিক্রি করেন তারা। তবে ঈদের আগ মুহূর্তে প্রতিদিন ৫০০ টুপি বিক্রির আশা করছেন তারা।
লিটন সর্দার নামে আরেক ব্যবসায়ী জানান, ঈদ বাজারে সব বয়সী মানুষের টুপি আছে। আলিয়া, কওমি, সুন্নি যারাই যেমন ধরনের টুপি চান, চাহিদার সব টুপি এখানে আছে। তবে মানুষে হাতে টাকা কম থাকায় এবার এখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী বেচাকেনা হচ্ছে না। অনেকে বাচ্চাদের জন্য কিনলেও নিজেদের জন্য কিনছেন না।
শহিদুল নামে এক ক্রেতা বলেন, মার্কেটের চেয়ে ফুটপাতে টুপির দাম কম। পাকিস্তানি ও কাশ্মিরি মেজেন্ডা রঙের টুপি নিয়েছি। বিদেশি টুপির দাম একটু বেশি হলেও বৈচিত্র্যময় হওয়ায় পাঞ্জাবির সাথে দেখতে পরতে ভালো দেখায়।
জানা গেছে, ঈদ আসলেই নগরীর বড় বড় ফ্যাশন হাউসের পাশাপাশি  ফুটপাতগুলোতে বেচাকেনা জমজমাট থাকে। টুপির পাশাপাশি আতর, জায়নামাজ ও বিক্রি হচ্ছে এই ফুটপাতগুলোতে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT