গ্রামের ঘরে ঘরে এখন খান মামুনের নাম গ্রামের ঘরে ঘরে এখন খান মামুনের নাম - ajkerparibartan.com
গ্রামের ঘরে ঘরে এখন খান মামুনের নাম

4:31 pm , March 22, 2024

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাচন
আরিফ আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদক ॥ শোলনা থেকে ভেদুরিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে ঝুলছে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার। চারজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন বরিশাল সদর উপজেলাকে ঘিরে। এদের মধ্যে জনপ্রিয় মুখ বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন। গ্রামের  সড়কে, বাজারে সর্বত্র খান মামুনের ছবিসহ ব্যানার পোস্টার ছাড়াও ছবিসহ রমজানের ক্যালেন্ডার চোখে পড়ে মাদ্রাসা মসজিদ ও প্রতিটি ঘরে। গত ২১ মার্চ বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাচন তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাচন হবে ৮ মে। ১৭ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রার্থীদের প্রচারণা কৌশল হিসেবে ছবিসহ রমজানের ক্যালেন্ডার পৌঁছে গেছে বরিশালের ১০ ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে এবং মাদ্রাসা-মসজিদগুলোতে। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ  নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল সদর উপজেলায় প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন মাহমুদুল হক খান মামুন, মনিরুল ইসলাম ছবি, মাহবুবুর রহমান মধু ও এসএম জাকির হোসেন।
গত ২১-২২ মার্চ বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরেজমিনে সদর উপজেলার নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় সকাল থেকেই ব্যস্ত দেখা গেছে প্রায় সব প্রার্থীদের।
এবার সদর উপজেলা নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা, সমাজসেবা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর কারণে মাহমুদুল হক খান মামুন জনপ্রিয়তায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বলে বেশ কিছু ভোটররা জানিয়েছেন। বিশেষ করে গত সিটি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মন্ত্রী এবং মেয়রের পাশে থেকে ব্যাপক প্রচারনা চালানো এবং দিন-রাত পরিশ্রমের কারণে উপজেলাবাসী খান মামুনের পাশে দাড়াবেন। এটাই ধারনা করা হচ্ছে। প্রার্থী মাহমুদুল হক খান মামুন জানান, আমি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অব. জাহিদ ফারুক শামীম এমপি এবং বরিশাল সিটির জনপ্রিয় মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের দোয়া নিয়ে মাঠে নেমেছি। গত ৩০ বছর ধরে আমি জনগণের পাশে থেকে রাজনীতি করেছি। ছাত্র জীবন থেকেই সবশ্রেণী পেশার মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আমি মনে করি উপজেলাবাসী আমার পক্ষে রায় দেবে।
এদের মধ্যে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু নগরীর টিয়াখালী এলাকায় এবং চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি কর্ণকাঠী এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। মাহবুবুর রহমান মধু বলেন, জনগণ আমাকে ভোট দেবে। কারণ, আমি গত পাঁচ বছর সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে কাজ করেছি।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনিরুল ইসলাম ছবি বলেন, আমি চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের চেয়ারম্যান। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাই এবার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
চন্দ্রমোহন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক জানান, তার এলাকায় চারজন প্রার্থীই এসেছিলেন। সবাইকেই সমান সময় দিয়েছেন।
টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাদিরা রহমান বলেন,  টুঙ্গিবাড়িয়ার ১৪ টি গ্রামেই সড়কের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম এমপির অবস্থান এখানে অনেক শক্তিশালী। তার সমর্থন যেদিকে থাকবে, সেদিকেই টুঙ্গিবাড়িয়ার মানুষের সমর্থন। শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মুন্না বলেন, শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ১৯টি গ্রাম ও দুটি বাজারেই জাহিদ ফারুক এর জনপ্রিয়তা এখন আকাশ ছোঁয়া। তিনি নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা নিয়ে এই এলাকার মানুষের কাছে এখন রীতিমতো ত্রাণকর্তা  হয়েছেন। তার কাজেই এ অঞ্চলের মানুষ তাকে পুনরায় জয়ী করেছে। যে কারণে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জাহিদ ফারুক এর সমর্থন যার প্রতি থাকবে তার পক্ষেই পুরো শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন থাকবে বলে জানান আরিফুজ্জামান।
রায়পাশা- কড়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহমেদ শাহরিয়ার বাবু আগে থেকেই মাহমুদুল হক খান মামুন এর পক্ষে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। ঘুরছেন প্রার্থীর আপনজন হয়ে। আর জাগুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেদায়েত উল্লাহ খান আজাদী নিরব দর্শক। কারণ ইসলামি আন্দোলন ও বিএনপি এ নির্বাচনকে সমর্থন করেনা।
কড়াপুর ও জাগুয়া সড়কের বেহাল দশার বিষয়ে খান মামুন বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে স্থানীয় সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এর সহযোগিতায় সদর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ১৪৭ গ্রামের প্রতিটি সড়কের কাজে হাত দেবেন তিনি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT