পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিলেন না মুলাদী সার্কেল এএসপি পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিলেন না মুলাদী সার্কেল এএসপি - ajkerparibartan.com
পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিলেন না মুলাদী সার্কেল এএসপি

4:14 pm , March 16, 2024

মুলাদী প্রতিবেদক ॥ পুলিশের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে থানায় নিয়ে অশালীন আচরণ ও ১৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ থাকলেও লিখিত অভিযোগ নেননি মুলাদী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)। তিনি ভুক্তভোগীর মৌখিক অভিযোগ নিয়েই তদন্তে গরিমসির করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে সজিব হোসেন খান ও তার স্বজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রতিকার না পেলে সজিব হোসেন খান পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানান। মুলাদী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জিত চন্দ্র দে, ওয়্যারলেস অপারেটর শফিউল এবং ডিউটি অফিসার মো. আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ, গ্রেপ্তারের হুমকি এবং টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সজিব হোসেন খান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুলাদী পোস্ট অফিসের কর্মচারী মো. মাজেদ রাড়ী ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ইউআরসির কম্পিউটার অপারেটর মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ধার নেন। পরবর্তীতে মাজেদ রাড়ী টাকা ফেরৎ দিতে অস্বীকৃতি জানান। পাওনা টাকা ফেরৎ পেতে মিজানুর রহমান গত ফেব্রুয়ারি মাসে সজিব খানের সহযোগিতায় মুলাদী থানায় অভিযোগ করেন। থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় মো. মাজেদ রাড়ী গত ৩ মার্চ মিজানকে ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দেন। মিজান পাওনা টাকার অর্ধেক ফেরৎ পেয়ে সজিব খানকে ১৫ হাজার টাকা দেন। ওই টাকা থেকে পুলিশকে খরচ বাবদ ১ হাজার টাকা দেন সজিব।
সজিব হোসেন খান বলেন, গত ৩ মার্চের পর মুলাদী থানার এএসআই সঞ্জিত চন্দ্র দে মোবাইল ফোনে ১৫ হাজার টাকা খরচ দাবি করেন। টাকা না দিলে মামলা ও মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের ভয় দেখাতেন তিনি। গত বুধবার এএসআই সঞ্জিত এবং ওয়্যারলেস অপারেটর শফিউল মোবাইল ফোনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। ওই দিন বেলা দেড়টার দিকে থানায় গেলে এএসআই সঞ্জিত চন্দ্র দে কর্তব্যরত কর্মকর্তার (ডিউটি অফিসার) কক্ষে নিয়ে গালিগালাজ করে টাকা দিতে বলেন। এসময় থানার ডিউটি অফিসার এসআই আওলাদ হোসেন এবং ওয়্যারলেস অপারেটর শফিউল তাঁকে গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। পরে তাদের ১৩ হাজার টাকা দিলে ছেড়ে দেন। পুলিশের টাকা নেওয়া ও খারাপ আচরনের বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এএসপি লিখিত অভিযোগের কপি রাখেন নি। প্রতিকার না পেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হবে। প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হবে।
এব্যাপারে মুলাদী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মো. বায়েজিদ ইবনে আকবরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT