মুলাদীতে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ মুলাদীতে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ - ajkerparibartan.com
মুলাদীতে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

2:48 pm , December 6, 2023

মুলাদী প্রতিবেদক ॥ মুলাদীর নয়াভাঙ্গুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের চরবাহাপুর একতার হাটের পশ্চিম-দক্ষিণসহ নয়াভাঙ্গুলী নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বালু তোলা হচ্ছে। বাহাদুপুর গ্রামের বশির জমাদার, বাবুল ঘরামী, কাঞ্চন সরদারসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী স্যালো ইঞ্জিনের ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে ওই এলাকায় ফসলি জমি ও বসত বাড়ি নদী ভাঙনের কারনে হুমকীর মুখে পড়েছে। বালু তোলা বন্ধ এবং বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চর বাহাদুরপুর গ্রামের শফিউর রহমান গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
চরবাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নয়া ভাঙ্গুলী নদীটি একসময়ে খর¯্রােতা ছিলো। ঢাকা-বরিশালগামী বেশ কিছু লঞ্চ এই নদী দিয়ে চলাচল করতো। নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় নয়া ভাঙ্গুলীর শাখায় বাঁধ দেওয়ায় ¯্রােত কমে যায় এবং নদী ভাঙ্গন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৫/৬ মাস ধরে কয়েকজন ব্যবসায়ী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করায় নদীটির অনেক জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা নয়া ভাঙ্গুলী নদীর একতার হাট, মোল্লার বাজার, মুলাদী পূর্ববাজার পুরাতন লঞ্চঘাট, খাসেরহাটসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে। ফলে ফসলি জমি, বাড়ি-ঘর, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছে।
অভিযোগকারী শফিউর রহমান বলেন, মুলাদী উপজেলার কোথাও বালুমহাল নেই। এর পরে ব্যবসায়ীরা অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) দিয়ে  নদী থেকে প্রায় সারা বছরই বালু উত্তোলন করছেন। এতে চরবাহারপুর হাজি বাড়ি, মসজিদ, চরমাধবরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। অনেকে বাঁশ-গাছের বেড়া দিয়ে বাড়ি-ঘর রক্ষার চেষ্টা করছেন। ভাঙ্গন রোধে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এব্যাপারে বশির জমাদার বলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের মোশারেফ শরীফ বাড়ির সামনে রাস্তার জন্য নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু নিচ্ছে। রাস্তার কাজ শেষে বালু তোলা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দীন জানান, মুলাদী উপজেলায় কোনো বালুমহাল নেই। নদী থেকে বালু তোলার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। শীঘ্রই চরবাহারপুর এলাকায় অভিযান চালানো হবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT