দীর্ঘ ১৩ বছর পর প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা স্বপ্ন পূরন হলো শিশু শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ১৩ বছর পর প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা স্বপ্ন পূরন হলো শিশু শিক্ষার্থীদের - ajkerparibartan.com
দীর্ঘ ১৩ বছর পর প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা স্বপ্ন পূরন হলো শিশু শিক্ষার্থীদের

3:55 pm , December 30, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দীর্ঘ ১৩ বছর পর বৃত্তি পরীক্ষার স্বাদ অনুভব করলো প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা। এতদিন অভিভাবক বা শিক্ষকদের কাছ থেকে বৃত্তি পরীক্ষার গল্প বা পূর্ব ইতিহাস শুনলেও সে ইতিহাস ও স্বপ্ন বাস্তবে দেখা হয়েছে। কারন শুক্রবার যারা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছে ১৩ বছর আগে তাদের জন্মও হয়নি। তাই তাদের কাছে বৃত্তি নামক পরীক্ষাটি ছিলো অনেকটা স্বপ্নের মত। যে স্বপ্ন বাস্তবে দেখা হলো তাদের এবং পুনরায় চালু হওয়া নতুন এই অধ্যায় বা ইতিহাসের স্বাক্ষীও হলো তারা। শুধু পরিক্ষার্থী নয় বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যেও আগ্রহের কমতি ছিলো না। সারা দেশের ন্যায় শুক্রবার বরিশালেও একযোগে সকাল ১০ টায় পরীক্ষা শুরু হয়। মোট ৪ টি বিষয়ে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় সময় ছিলো ২ ঘন্টা। প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে ১’শ নম্বরের প্রশ্ন প্রনয়ন করা হয়। এই ২৫ নম্বরের মধ্যে ১৫ নম্বর নৈর্ব্যত্তিক ও ১০ নম্বর রচনামূলক। বরিশাল জেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শতভাগ সুষ্ঠু ভাবে এবং আনন্দগন পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় একজন পরীক্ষার্থীও বহিস্কার হয়নি। তবে ২৮৭ জন অনুপস্থিত ছিলো। পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ৯৬ ভাগ। যা অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি বলেন অনেকটা পাবলিক পরীক্ষার আদলে ছিলো বৃত্তি পরীক্ষার সার্বিক আনুষ্ঠানিকতা। জেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিসসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পদস্থ ব্যক্তিরা প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও তদারকি করেছেন। ফেব্রুয়ারী মাসে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। মোট শিক্ষার্থীর ২০ শতাংশ হিসাবে বরিশাল জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৮ হাজার ৬৯৭ জন। জেলা ও সিটি এলাকা মিলিয়ে মোট ১৬ টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রসঙ্গত বৃত্তি পরীক্ষা গ্রহনের সিদ্ধান্তের পর সরকার তথা প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রনালয় প্রথমে সিদ্ধান্ত নেয় স্কুলে অধ্যায়নরত মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারবে। কিন্তু শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্কুল শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের সকল জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা দাবীগুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেন। পরে ১০ শতাংশের পরিবর্তে বৃদ্ধি করে ২০ শতাংশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। করোনার কারণে দুই বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হয়নি। চলতি বছর প্রচলিত নিয়ম ও পদ্ধতিতে আলাদা বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালুর পর এর ভিত্তিতেই বৃত্তি দেওয়া শুরু হয়েছিলো।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT