লালমোহনে মামলা দিয়ে প্রতিবেশীদের হয়রানির অভিযোগ লালমোহনে মামলা দিয়ে প্রতিবেশীদের হয়রানির অভিযোগ - ajkerparibartan.com
লালমোহনে মামলা দিয়ে প্রতিবেশীদের হয়রানির অভিযোগ

3:11 pm , December 6, 2022

কিছুই জানেন না সাক্ষীরা

লালমোহন প্রতিবেদক ॥ লালমোহনে জমি জবর দখল, ঘর ও আসবাবপত্র ভাংচুর এবং স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত ৫ ডিসেম্বর উপজেলার ধলিগৌর নগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড চর কালাচাঁদ গ্রামের মৃত তাজল ইসলাম হাওলাদারের স্ত্রী শামসুন্নাহার বাদী হয়ে নিজের ছেলে, পুত্রবধূ ও ছেলের জামাতাসহ প্রতিবেশীদের জড়িয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ নভেম্বর শামসুন্নাহারের জমি জবর দখলের উদ্দেশ্যে মারধর করা হয় এবং ৪ ডিসেম্বর তার ঘর ভাংচুর ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। মামলায় মামুন, জহির, বাবুল , তানজির হোসেন অপু, মহিউদ্দিন জুয়েল, ইয়মিন সোহাগ, খালেদা আক্তার ও পিনু বেগমকে আসামী করা হয়।
মামলার প্রথম আসামী মো. মামুন বলেন, আমার শ^শুর ও চাচা শ^শুরের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এনিয়ে আমার শ^শুরের পরিবার তার ভাইদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে। ওই মামলার কাউন্টারে আমার দাদি শ^াশুড়ী বাদি হয়ে মামলা করেছেন। তবে আমি কখনোই দাদি শ^াশুড়ীর বাড়ি তথা এ এলাকায় আসিনি। অথচ আমাকেও আসামী করা হয়েছে।
মামলার আসামী  মহিউদ্দিন জুয়েল ও ইয়ামিন সোহাগ বলেন, শামসুন্নাহারের ছেলেদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে শুনেছি। এই বিরোধের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। তবুও আমাদের নামে কেন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।
এদিকে এই মামলায় যাদেরকে সাক্ষী করা হয় তারা কেউই  ঘটনা সম্পর্কে জানেন না বলে জানান। এমনকি তাদের কে না জানিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মামলায় সাক্ষী দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
মামলার ১নং সাক্ষী প্রতিবেশী মোস্তফা কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২৪ নভেম্বর মৃত তাজল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে বাবুল ও নজরুল ইসলাম রিয়াজের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। সেখানে মহিউদ্দিন জুয়েল ও ইয়ামিন সোহাগ উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়াও গত ৪ তারিখ রাতে শামসুন্নাহারের পরিবারের সংবাদের ভিত্তিতে তাদের ঘর পরিদর্শন করি। তবে ওই ঘরে কে বা কারা ঢুকেছে আমরা দেখিনি। এ মামলায় আমাকে না জানিয়ে সাক্ষী করা হয়েছে।
মামলার ২নং সাক্ষী সিদ্দিক ঝান্টু, ৩নং সাক্ষী শাহাজাহান ও ৪নং সাক্ষী আলামিন জানান, শাসসুন্নাহারের ঘর ভাংচুর লুটপাট ও মারধরের কোন ঘটনাই আমাদের জানা নেই। এমনকি আমাদেরকে অবগত না করেই মামলার সাক্ষী করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ডিসেম্বর শামসুন্নাহার ও তার পরিবার ভোলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হলে  ঘরের চাবি পাশ^বর্তী বাড়ীর বশিরের স্ত্রী লাইজু বেগমের কাছে রেখে যান। সেদিন ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়টি লাইজু বেগম স্বচোক্ষে দেখেছেন। এদিকে লাইজু বেগম বলেন, শামসুন্নাহারের ঘরের দরজা খোলা দেখে আমি তাদেরকে সংবাদ দেই। তবে কে বা কারা ঘরে ঢুকেছে আমি দেখিনি। এসময় মামলায় উল্লেখিত আসামীদের কাউকেই তিনি দেখেননি বলেও জানান।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT