বানারীপাড়ায় ১২ পরিবারকে উচ্ছেদ করে ভূমিহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণ শুরু বানারীপাড়ায় ১২ পরিবারকে উচ্ছেদ করে ভূমিহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণ শুরু - ajkerparibartan.com
বানারীপাড়ায় ১২ পরিবারকে উচ্ছেদ করে ভূমিহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণ শুরু

3:52 pm , November 19, 2022

এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া ॥ উপজেলার কাজলাহার গ্রামের ১২ হিন্দু  পরিবারের ভিটা জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে ভূমিহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণের কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা  মোঃ মহসিনুল হাসান এ আবাসন নির্মানের কাজ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন কাজলাহার গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবার। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন , সরকারি জমিতে গৃহহীনদের জন্য আবাসন নির্মাণ হোক ভুক্তভোগীরাও তার পক্ষে। কিন্তু  ভুক্তভোগীদের পৈত্রিক সম্পত্তি  উপজেলা প্রশাসন দখল করে নয়। শনিবার সকালে  ক্ষতিগ্রস্ত পিন্টু  বড়াল, ধীরেন বড়াল, পরেশ, সুধান্য বড়াল, সুভাষ, ইদ্রিস আলী আকন, শাহাদত সরদার এসব অভিযোগ করেন। ওই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ১২টি পরিবার বসবাস করছে। তারা জানান, দলিল, রেকর্ড  এবং পর্চা থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রশাসন ১৫ নভেম্বর  ধানের ক্ষেত, পানের বরজ ও ঘর ভেকু দিয়ে ভেঙ্গে  এবং  পুকুর ভরাটের কাজ শুরু  করেছে। তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা ভূমি অফিসের অসাধু সার্ভেয়ার মোঃ সুমন এক তরফা এবং জমি চিহ্নিত করেন। সরকারি পরিমাপে যে জমি তাতে কোনভাবেই আবাসনের ঘর নির্মান করা যায় না। এ জন্যই আমাদের উচ্ছেদ করে জমি বেশি দেখিয়ে এ কাজ শুরু করেছে।   তারা বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়ে সরকারি সম্পত্তিতে আবাসন নির্মাণ করলে কোন আপত্তি নেই।  আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসক এবং  উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানালে তারা কোন গুরুত্ব দেয়নি।
বরিশাল জেলা মানবাধিকার প্লাটফর্ম সদস্য এবং বানারীপাড়া উপজেলা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম  এবং  সভাপতি এটিএম মোস্তফা সরদার জানান, অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। অভিযোগকারী সংখ্যালঘুদের পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে উচ্ছেদ করা মানবাধিকার লংঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহসিনুল হাসান বলেন, সরকারি সার্ভেয়ারের মাপ অনুযায়ী আমরা  কাজ করছি। কমিশনের অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মোঃ সাইফুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা বলেন, আমরা ৪ মাস পুর্বে জমি পরিমাপ করে লাল নিশান দিয়েছি। তখন কেউ আপত্তি করেনি। এখন কাজ শুরু  হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা পেলে বিষয়টি দেখা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT