কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণের অভিযোগ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণের অভিযোগ - ajkerparibartan.com
কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণের অভিযোগ

3:20 pm , November 17, 2022

মুলাদী প্রতিবেদক ॥ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত হচ্ছেন মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু বক্করের ছেলে এহছান সিদ্দিক। তার লিখিত পরীক্ষার রোল নং-১২০০২৭১৫৫ এবং কেন্দ্র খুলনা জিলা স্কুল। বিষয়টি মুলাদীর চরকমিশনার আব্দুল মালেক খানের ছেলে শামিম খান লিখিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তলের সহকারি পরিচালককে অবহিত করেছেন। একই সাথে ওই আবেদনের কপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রেরন করা হয়। লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ পরীক্ষা গত ১১ নভেম্বর খুলনা জিলা স্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছেন এহছান সিদ্দিক পরীক্ষা কেন্দ্রে না গিয়ে পাশ করেছেন। পরবর্তীতে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারেন এহছান ওই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে চুক্তি করে। ওই চুক্তিমোতাবেক এহছানের স্থলে ওই মেধাবী শিক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এর সাথে সাথে ওই শিক্ষার্থী প্রশ্ন পাওয়ার সাথে সাথে তার ছবি তুলে এহছানের কাছে প্রেরন করেন। সে যেগুলো পেরেছে তার উত্তর লিখে এহছানের নিকট প্রেরনকৃত প্রশ্নের উত্তরের জন্য অপেক্ষায় থাকেন। এহছান ওই সকল প্রশ্নের উত্তর লিখে তা আবার তার কাছে প্রেরন করেন। এ জন্য বাহিরেও আরো একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে রাখা হয়। এভাবে অনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে এহছান লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে যায়। আবেদনে উল্লেখ থাকে কেন্দ্রে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে এহছান সিদ্দিক বলেন, শত্রুতাবশতঃ তারা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। সেখানে প্রক্সি দেয়ার কোন সুযোগ ছিল না। আর এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। আমি স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধার মূল্যায়ন হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছি বলে দাবি করেন তিনি।
শামীম খান বলেন, আবেদন করার কয়েক বছর পর সরকার থেকে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। এ জন্য সত্যিকার অর্থে এ ধরনের দুই একজন দুর্নীতিবাজ ছাড়া বেশীরভাগ পরীক্ষার্থী প্রস্তুতি নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। অথচ এহছানের মত দুর্নীতিবাজরা কোন ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শুধুমাত্র দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেছে। এতে করে মেধাবী এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শিক্ষার্থীদের মেধার কোন মূল্যায়ন হয়নি। তাই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে এহছানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT