বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ - ajkerparibartan.com
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

3:30 pm , October 20, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে মারধর করেছে যুবলীগ নেতার ছোট ভাই। বৃহস্পতিবার নগরীর আমতলা মোড় স্বাধীনতা পার্কের পশ্চিম প্রান্তে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তৈরী হয়েছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। হামলাকারী নগরীর সিকদার পাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন সিকদারের ছোট ভাই মহিউদ্দিন সিকদারকে গ্রেপ্তারের আশ্বাসে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম ক্যাম্পাসে আসার জন্য আমতলা এলাকার স্বাধীনতা পার্কের পশ্চিম প্রান্তে আসলামের চায়ের দোকানের সামনে বাসের অপেক্ষা করছিলো। এ সময় সিকদার পাড়া এলাকার বখাটে ও মাদকসেবী যুবক মহিউদ্দিন এসে রহিমকে মারধর করে। পরে রহিমকে রক্ষায় চায়ের দোকানদার আসলাম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, সহপাঠীর ওপর হামলার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে আসে। কিন্তু তার আগেই মহিউদ্দিন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন হামলকারীরা সিকদার পাড়া এলাকার কথিত যুবলীগ নেতা শাহাবুদ্দিনের ভাই মহিউদ্দিন। চায়ের দোকানদার আসলাম বলেন, কোন  কথাবার্তা ছাড়াই মহিউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করে। বাধা দিলে মহিউদ্দিন গালিগালাজ শুরু করেন এবং আমাকেও মারধর করে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি  মডেল থানার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. খোরশেদ আলম  বলেন, বিনা কারনে সহপাঠীকে মারধরের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে আসে। তারা হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবি তোলে এবং সড়ক অবরোধ করতে চেয়েছিলো। তবে আমরা তাদের সাথে কথা বলেছি। থানা পুলিশও আশ্বস্ত করেছে সন্ধ্যার মধ্যে হামলাকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনবে। তাই পুলিশের দেয়া আশ্বাসের কারনে শিক্ষার্থীরা কোন কর্মসূচি পালন করেনি। এ ঘটনার পর আহত অবস্থায় শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শিক্ষার্থীরা বলছে পুলিশের দেয়া আশ্বাস অনুযায়ী হামলাকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হলে তারা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আজিমুল করিম বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারপরও যত দ্রুত সম্ভব হামলাকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য হামলাকারীর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT