3:35 pm , October 15, 2022
চরফ্যাসন প্রতিবেদক ॥ চরফ্যাসনে জমি সংক্রান্ত মামলার টাকার হিস্যা নিয়ে তর্কের জেরে ভাতিজা নুরুল ইসলামকে (৩৫) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা আবু তাহের, আবদুল মালেক ও চাচাতো ভাই তারেকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে শশীভূষণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। শশীভূষণ থানা পুলিশ রাতেই ঘটনার সাথে জড়িত চাচা আবদুল মালেক জমাদারকে গ্রেপ্তার করে গতকাল শনিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করেছেন। গত শুক্রবার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে পাওনা টাকার হিস্যা নিয়ে তর্কের জেরে হামলা ও মারধরের পর শুক্রবার রাত নয়টায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নুরুল ইসলাম ওই গ্রামের আবদুর রশিদ জমাদারের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ছিলেন। মামলা ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, প্রতিবেশীর সাথে আবু তাহের জমাদার ও নুরুল ইসলামদের জমি নিয়ে মামলা রয়েছে। সম্প্রতি ওই মামলায় আবু তাহের জমাদার ও নুরুল ইসলামরা হেরে যান। মামলায় হেরে যাওয়ার পর খরচের টাকার হিস্যা নিয়ে চাচা আবু তাহের জমাদার ও ভাতিজা নুরুল ইসলাম মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। শুক্রবার সকালে ওই টাকার হিস্যা নিয়ে চাচা আবু তাহের জমাদার ও নুরুল ইসলামের মধ্যে তর্কাতর্কি হয় । তর্কের জের ধরে চাচা আবু তাহের ভাতিজা নুরুল ইসলামকে খন্তা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। স্বামীকে উদ্ধার করতে স্ত্রী মরিয়ম এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনকে চরফ্যাসন হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় নুরুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে রাত নয়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শশীভূষণ থানার ওসি মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে জড়ির নিহতের চাচা আবদুল মালেক জমাদারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শনিবার সকালে নিহতের ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে পাঠিয়েছেন। অপর আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
