3:32 pm , October 2, 2022
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় কনফিডেন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করেছে বরিশালের একটি আদালত। রোববার বরিশাল অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ মহানগর হাকিম মো. শামীম আহম্মেদ এ আদেশ দেন। বাদীর আইনজীবী মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মামলার ৬ জন আসামীর মধ্যে ৫ জন হাজির হয়। আদালত তাদের অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছে। কিন্তু অস্থায়ী জামিনে থাকা মামলার ১নম্বর আসামী কনফিডেন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম আদালতে হাজির হয়নি। তাই বিচারক তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারীর আদেশ দিয়েছেন। আইনজীবী আরও জানান, কীর্তনখোলা নদীর বাঁধ নির্মান কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স গ্রুপ। ওই কাজের সাব ঠিকাদার ছিলেন নগরীর রুপাতলী হাউজিং এস্টেটের বাসীন্দা মায়ের দোয়া ট্রেডার্সের প্রোপাইটর মো. এমদাদুল হক সুরুজ মোল্লা।গত ২৭ মার্চ সুরুজ মোল্লা বাদী হয়ে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে কনফিডেন্স গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিমসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার বরাতে তিনি জানান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশাল পওর বিভাগের আওতাধীন কীর্তনখোলা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজের ৩০ কোটি টাকার ব্লক বসানোর জন্য ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল কনফিডেন্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জুডিয়াক ড্রেজিং লিমিটেডের সাথে চুক্তি করে সুরুজ মোল্লা।
শর্ত মোতাবেক সিডিউল অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন ৪ কোটি ৩৮ লাখ ১২ হাজার টাকা বকেয়া থাকে। কিন্তু আসামীরা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে সুরুজ মোল্লাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকী দেয়।
বাদী সুরুজ মোল্লা জানান, কনফিডেন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিমসহ অন্যান্য আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে কাজের বকেয়া বিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার পেতে আদালতে মামলা করেছি।কোর্ট পরিদর্শক শিশির কুমার পাল জানান, মামলার ৫ আসামীকে জামিন দিয়েছে। হাজির না থাকায় মো. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী ধার্য্য দিন আগামী ১২ ডিসেম্বর।
