চরফ্যাসনে কেওড়া বনে তরুনীকে ধর্ষণ চরফ্যাসনে কেওড়া বনে তরুনীকে ধর্ষণ - ajkerparibartan.com
চরফ্যাসনে কেওড়া বনে তরুনীকে ধর্ষণ

3:22 pm , September 27, 2022

চরফ্যাসন প্রতিবেদক ॥ চরফ্যাশনে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে বেঁড়িবাধের ঢালের কেওড়া বনে তরুনীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের তরুনীর মা বাদী হয়ে আলামিন নামের এক ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালককে আসামী করে চরফ্যাশন থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন। চরফ্যাশন থানা পুলিশ অভিযুক্ত আলামিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের স্লুইলিজ গেইট এলাকায় কেওড়া বনের ঝোঁপে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবক আলামিন ওই ইউনিয়নের পুর্ব মাদ্রাজ গ্রামের হারুন চাকিদারের ছেলে।
মামলা ও ভিক্টিম সুত্রে জানাযায়, ঘটনার দিন ভিক্টিম তরুনীসহ তার মামাতো বোন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল যোগে তাদের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে মাদ্রাজ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। প্রায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে চালক আলামিন পথের মধ্যেই তাদেরকে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে উত্যক্ত শুরু করেন। এবং শারিরিক সর্ম্পকের কু-প্রস্তাব দেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টায় তারা স্লুইলিজ গেইট আসলে তাদের দুজনকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে টানা হেঁচড়া করতে থাকেন। ভয়ে আতংকিত হয়ে ভিক্টিম তরুনী ও তার মামাতো বোন দুজন দুদিকে ছুটে যান। এসময় অভিযুক্ত আলামিন ভিক্টিমকে ঝাপটে ধরে বাধের ঢালের কেওড়া বনে নিয়ে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তার সাথে থাকা মামাতো বোন বিয়ষয়টি স্থানীয়দের জানান। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ধর্ষক আলামিন স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে ভিক্টিমকে বনের মধ্যেই ফেলে পালিয়ে যান। ভিক্টিম তরুনী বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার মাও পরিবারের সদস্যদের জানান। চরফ্যাশন থানার ওসি মুহাঃ মোরাদ হোসেন জানান, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।অভিযুক্ত ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক আলামিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিক্টিম তরুনীকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT