3:29 pm , September 18, 2022
বন্ধ হওয়ার পথে ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটের লঞ্চ
বিশেষ প্রতিবেদক ॥ ঢাকা বরিশাল নৌ-রুট বন্ধ হবার সম্ভাবনায় পড়েছে বেশিরভাগ লঞ্চ। প্রতি ট্্িরপে প্রায় আড়াই লাখ টাকা লোকসান গুনতে হলে বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ মালিকদের অনেকে। অন্যদিকে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্ধ হবার প্রশ্নই ওঠেনা। রোটেশন করার পর যথেষ্ট যাত্রী নিয়েই চলাচল করছে লঞ্চগুলো। তবে সরেজমিনে বরিশাল লঞ্চ ঘাট ঘুরে দেখা যায় কেবিন যাত্রী কম হলেও বেশিরভাগ লঞ্চের ডেক মোটামুটি পরিপূর্ণ আছে। ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবারের আগাম কেবিন বুকিং পায়নি শুক্রবার বরিশালে বেড়াতে আসা কয়েকজন অতিথি। এ বিষয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছেন, বুধ ও বৃহস্পতিবার কোনো লঞ্চেই কেবিন ফাঁকা থাকেনা। একসপ্তাহ আগেই বুকিং হয়ে যায়।
১৮ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় পারাবত ১১, সুন্দরবন ১১ ও মানামীকে ঘাটে দেখা গেলেও ডেকে খুব একটা যাত্রী চাপ ছিলোনা। যাত্রী কম থাকায় রোটেশন করে লঞ্চ চালাতে বাধ্য হয়েছেন মালিকরা। কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌস বলেন, একবার ঢাকা ঘুরে আসলেই দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে বরিশালের বেশিরভাগ লঞ্চ কোম্পানীকে। এটা একদিন কিংবা দুদিন মানা যায়। কিন্তু একটানা হলে কি সম্ভব? আমরা তো আর বাড়ি-জমি বিক্রি করে লঞ্চ চালাবো না।
ঢাকা-বরিশাল নৌপথে লাগাতার যাত্রী সংকটের কারণে চলমান লোকসানের পাল্লা ক্রমশ ভারী হচ্ছে এমন অভিযোগ অধিকাংশ লঞ্চ মালিকের। সুন্দরবন শিপিং, সুরভীসহ এ রুটে চলাচলকারী প্রায় সব লঞ্চ মালিকের কণ্ঠে এখন একই হতাশার ধ্বনি। যাত্রী চাপ না বাড়লে লঞ্চ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে সব লঞ্চ মালিক একমত।
তবে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রোটেশন করার পর যাত্রী সংকটের প্রশ্নই আসেনা।
