3:44 pm , September 13, 2022
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশালে এ মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত তিন দিনের টানা বৃষ্টির, পূর্নিমার ও নি¤œচাপের প্রভাবে বেড়েছে নদীর পানিও। নগরীর কয়েকটি প্রধান সড়কসহ অলি-গলি এবং আশে-পাশের নি¤œাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মাহফুজুর রহমান বলেন, গত ১২ ঘন্টায় বরিশালে ৫২ দশমিক ৩ মিলিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা বর্তমান মৌসুমে একটানা বৃষ্টিপাতে রেকর্ড হয়েছে। তিনি জানান, গত ১১ অগাষ্ট সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর একটা পর্যন্ত ১২৭ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এটাও এ মৌসুমে দুইদিনে বৃষ্টিপাতের পরিমানে রেকর্ড হয়েছে। মাহফুজুর রহমান বলেন, এ বৃষ্টি আরো ২/৩ দিন অব্যাহত থাকবে। নগরীর নিচু এলাকার মধ্যে অন্যতম ৯নং ওয়ার্ড রসুলপুর চরের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের নেতা হারুন ভান্ডারী বলেন, চরের কীর্তনখোলা নদীর তীর অংশের কিছু এলাকায় পানি উঠেছে। তবে আগের মতো পানি উঠেনি। নগরীর করিম কুটির এলাকার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান জানান, বটতলা থেকে হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা পর্যন্ত সড়কটি অন্তত দুই থেকে আড়াই ফুট পানির নিচে রয়েছে। এতে যানবাহন চালক ও পথচারীরা বিপাকে পড়েছে।
নগরীর সদর রোড ও আশে-পাশের আগরপুর রোড, প্যারারা রোড, বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনের, ও বগুড়া রোড পানিতে ডুবে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর রোডের মেডিনেট ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মো. জাকির হোসেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ পাঠক আব্দুর রহমান জানান, বর্তমানে কীর্তনখোলা নদীর পানি অনেক কম রয়েছে। বিপদ সীমার অনেক নিচে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
বরিশাল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, এ বৃষ্টি ধান আবাদের জন্য উপকারী। তবে এর চেয়ে বেশি বৃষ্টি হলে ক্ষতি হবে। ফসল পর্যবেক্ষন ও ক্ষতি থেকে রক্ষায় কৃষকদের যাবতীয় পরামর্শ দেয়াসহ তাকে (উপ-পরিচালক) বর্তমান অবস্থা অবহিত করতে মাঠপর্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
