3:53 pm , September 4, 2022
আগৈলঝাড়া প্রতিবেদক ॥ আগৈলঝাড়ায় এক সময়ে খর¯্রােতা সন্ধ্যা নদী স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা ভরাট করে ইট-বালুর ব্যবসা করে আসছে। এতে নদীর সৌন্দর্য্য হারানোর পাশাপাশি হারিয়েছে নাব্যতা। সন্ধ্যা নদীর দখলকারীদের উচ্ছেদের জন্য রোববার সকাল ১১টায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা বাকাল ও বাগধা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সন্ধ্যা নদী এক সময় খর¯্রােতা নদী ছিল। ওই নদী দিয়ে এক সময় ঢাকা-পয়সারহাট লঞ্চ চলাচল করতো। ওই লঞ্চে করে পয়সারহাট বন্দরের ব্যবসায়ীরা নিত্যপন্য ঢাকা থেকে আনতেন। কয়েক বছর ধরে ওই নদীর পূর্ব পাড়ে উপজেলার বাগধা গ্রামের গাউস বক্তিয়ার, আব্দুর জব্বার তালুকদার, সান্টু বাহাদুর, কাওছার সিকদার, পূর্ব পয়সারহাট গ্রামের বাদশা বক্তিয়ার, মোনাসেফ হোসেন, ও বি,এম সালাউদ্দিনসহ ১০-১৫ জনে দখল করে স্ব-মিল, ইট-বালুর ব্যবসা করে আসছে। একারনে খর¯্রােতা সন্ধ্যা নদী সংকুচিত হয়ে আসছে এবং নদীর বিভিন্ন স্থানে চর জেগে উঠছে। যার কারনে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের কারনে গতকাল রোববার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেনের আদালত। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধ আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)নেহের নিগার তনু, ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল ভাট্টি ও এসআই খায়রুল ইসলাম। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে দখলকারীদের ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে তারা তাদের স্থাপনা ভেঙ্গে না নিলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
