3:49 pm , September 4, 2022
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ গৌরনদী পৌর যুবদলের আহবায়ক মো. জাকির হোসেনের (৩৮) বাড়িতে শনিবার রাতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় তার স্ত্রী ও শিশু কন্যাসহ ৪ স্বজন আহত হন। আহত যুবদল নেতাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর দিকে উপজেলার চন্দ্রহার গ্রামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্পূর্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্র ও যুবলীগ নেতারা। গৌরনদী পৌর যুবদলের আহবায়ক মো. জাকির হোসেন ওরফে বাচ্চু শিকদার (৩৮) অভিযোগ করে বলেন, শনিবার রাত পোনে ৮টার দিকে আমার আড়াই বছরের শিশু কন্যা জুবাইদাকে কোলে নিয়ে নিজের ঘরে পায়চারী করছিলাম। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ ইমরান মিয়ার (৩০) নেতৃত্বে ১৫/২০টি মোটরসাইকেল যোগে প্রায় ৪০/৪৫ জন যুব ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা দেশীয় ধারাল অস্ত্র, জিআই পাইপ, লোহার পাইপ, হাতুড়ী, হকষ্টিক নিয়ে আকস্মিক ঘরে প্রবেশ করে কোল থেকে শিশু কন্যাকে কেড়ে নিয়ে মাটিতে ছুড়ে ফেলে। পরে তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
যুবদল নেতার স্ত্রী মনি আক্তার (২২) অভিযোগ করে বলেন, স্বামীকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে তাকেও লাঞ্ছিত করেছে সন্ত্রাসীরা। তারা জাহেলিয়াতের যুগকেও হার মানিয়েছে। বাবার কোল থেকে অবুঝ নিস্পাপ শিশুকে কেড়ে নিয়ে আছাড় মেরে আহত করেছে।
আহত যুবদল নেতা জাকিরের চাচা ও গৌরনদী পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল কালাম শিকদার (৫৮) অভিযোগ করে বলেন, আমি ও জাকিরের বড় ভাই উপজেলা যুবদলের সদস্য মোঃ চুন্নু শিকদার জাকিরকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা দুজনকে পিটিয়ে আহত করে। আহত যুবদল নেতা জাকির হোসেনকে রাতেই বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সম্পূর্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রলী ও যুবলীগ নেতারা। অপরদিকে বাটাজোর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সম্পাদক দুলাল হোসেন সরদার (৪০) অভিযোগ করে বলেন, আগের দিন বাটাজোর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কালু তালুকদার ওরফে হাতকাটা কালুর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন যুব ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা আমার চন্দ্রহার গ্রামস্থ বাড়িতে হামলা চালায় । এ সময় সন্ত্রাসীরা আমাকে ঘর থেকে টেনে হেচড়ে বের করে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেছে।
