শেষ হলো বৃক্ষ মেলা : এক কোটি টাকার গাছ বিক্রি শেষ হলো বৃক্ষ মেলা : এক কোটি টাকার গাছ বিক্রি - ajkerparibartan.com
শেষ হলো বৃক্ষ মেলা : এক কোটি টাকার গাছ বিক্রি

3:29 pm , August 14, 2022

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ শেষ হলো বরিশাল বিভাগীয় বৃক্ষমেলা। এই মেলায় গত পনের দিনে প্রায় এক কোটি দুই লাখ টাকার শোভাবর্ধক গাছ বিক্রি হয়েছে বলে জানালেন সামাজিক বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ। রোববার বিকালে সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ আরো জানান, ১৭ জন মালিকের ৫০টি স্টল ছিলো এই বৃক্ষমেলায়। নগরীতে ছাদ বাগানে আগ্রহী ক্রেতার উপস্থিতি বেশি ছিলো বলে জানান কর্তৃপক্ষ। বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, উপকূলীয় বন সংরক্ষক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এএমজি কবীর বুলু এবং সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ এহতেশামুল হক এতে বক্তব্য রাখেন। গত ৩১ জুলাই এই বৃক্ষমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। এর পর থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টির মধ্যেই চলে বৃক্ষমেলার বেচাকেনা। বরিশাল জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ আয়োজিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানে সামাজিক বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ এক কোটি এক লাখ নিরানব্বই হাজার নয়শত টাকার গাছ বিক্রির কথা জানালেও বাস্তবে বিভিন্ন নার্সারি পরিচালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত পনের দিনে এর অর্ধেকও বিক্রি হয়নি। তবে পুরষ্কার পেতে কয়েকটি স্টল বিক্রি বাড়িয়ে বলছেন বলে অভিযোগ করেন স্বরূপকাঠি থেকে আগত প্রায় সকল ব্যবসায়ী। প্রায় ৫০ হাজার চারা গাছের মধ্যে বনসাই টবের গাছগুলোই বেশি বিক্রি হয়েছে। গড়ে এক একটা ডাবল স্টলে গত পনের দিনে ১ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হয়েছে বলে জানান কয়েকজন নার্সারি মালিক। এখানে সবচেয়ে দামি গাছটি ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের। আদর্শ নার্সারির এ গাছটি একটি বনসাই বটবৃক্ষ। যা শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয়নি। শাহেদ নার্সারি সোহেল জানান, গত পনের দিনে আমার দুটি স্টলে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হয়েছে। ইভা নার্সারি কালাম বিক্রি করেছেন ৭০ হাজার টাকার চারা। আর হালিমা নার্সারির সোহাগ বলেন, গত পনেরদিনে ৭০ হাজার টাকার মত চারা বিক্রি হয়েছে। মালামাল আনা নেয়া ও এখানের খরচ বহন করে আমাদের লস ছাড়া লাভ নেই। তিনি আরো বলেন, কয়েকটি বাইরের স্টল মালিকরা পুরষ্কার পাওয়ার জন্য বেশি বেশি বিক্রি দেখাচ্ছে। আদতে যা বলছে তার অর্ধেকও বিক্রি হয়নি।মানবসেবা নার্সারির ফায়জুল হক বিক্রির বিষয়টি এড়িয়ে সমস্যা তুলে ধরে বলেন, ঢাকায় জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি সময়ে এই মেলার আয়োজন হলে ভালো হত। হয়তো আমরা আরেকটু বেচাকেনা করতে পারতাম। পানি ও বিদ্যুৎ সমস্যা ছিলো প্রকট। নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা ছিলো কিন্তু রাতে বিদ্যুৎ ছিলো না। রাতে যে কর্মচারীরা স্টলঘরে ঘুমাতো ঘরগুলো ছোট হওয়ায় তাদের থাকতে কষ্ট হয়েছে, তারা বৃষ্টিতে ভিজেছেন বলে জানান ফায়জুল হক। সবশেষে বৃক্ষ মেলায় অংশ গ্রহণকারী নার্সারির মালিকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT