চরফ্যাসনে গরম খুনতি দিয়ে গৃহবধুর নিতম্বে ছ্যাকা চরফ্যাসনে গরম খুনতি দিয়ে গৃহবধুর নিতম্বে ছ্যাকা - ajkerparibartan.com
চরফ্যাসনে গরম খুনতি দিয়ে গৃহবধুর নিতম্বে ছ্যাকা

3:31 pm , August 7, 2022

চরফ্যাসন প্রতিবেদক ॥ নির্মমতার একটা সহ্য সীমা থাকে। যৌতুকের জন্য জেলে কন্যা জান্নাতকে স্বামী পরিবারের সংঘবদ্ধ নির্যাতন নির্মমতার সীমাও ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার বিকেলে চরফ্যাসন উপজেলার মূল ভূখন্ড থেকে তেঁতুলিয়া নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন দূরবর্তী মুজিবনগর ইউনিয়নে ৩ নং ওয়ার্ডের আব্দুল খালেকের বাড়িতেই এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুইদিন পর ভিকটিমের মামা জসিম ওয়ার্ড মেম্বার মনির মাতুব্বর এবং গ্রাম চৌকিদার বাচ্চু মিয়ার সহায়তায় গৃহবধুকে উদ্ধার করে পরদিন শনিবার বিকেলে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুই সন্তানের মা ভিক্টিম জান্নাত চরফ্যাসনের দুলারহাট থানার ফরিদাবাদ গ্রামের মোঃ ইব্রাহীমের মেয়ে। চরফ্যাসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভিক্টিম জান্নাত জানান,ছয় বছর আগে মুজিবনগরের ৩ নং ওয়ার্ডের আব্দুল খালেকের ছেলে জহিরের সাথে বিয়ে হয়।পেশায় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক জহির বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য নিয়মিত শারীরিক মানসিক নির্যাতন করে আসছে। জহিরের বাবা খালেক,মা নুরজাহান,বোন মাহিনুর,ভাই মাসুদ মিলে জহিরের এমন অমানবিক আচরণ ও নির্যাতনে সহযোগিতা করতো।এসব নির্যাতনের কারণে একটি নতুন প্লাটিনা মোটরসাইকেল কিনে দেন জান্নাতের বাবা,টাকাও দিয়েছেন বিভিন্ন সময়। বেশ কয়দিন ধরে জহির নতুন আরো একটি মোটরসাইকেল কেনার জন্য জান্নাতকে বাবার কাছ থেকে এক লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ দেয়।এই টাকা দিতে পারবেনা বলে জানিয়ে দেয়ার পর জহিরসহ তার পুরো পরিবার জান্নাতের উপর শারিরীক মানসিক নির্যাতন শুরু করে।তার ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকেলে জহিরসহ পরিবারের সদস্যরা দড়িদিয়ে জান্নাতের হাত পা বেঁধে বসতঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে দেয়া।তারপর মাছ ভাজার স্টিলের খুনতি জ্বলন্ত চুলায় গরম করে জহিরের বোন মাহিনুর।পাশাপাশি জহির ও তার মা নুরজাহান পড়নের শাড়ি খুলে জান্নাতকে বিবস্ত্র করে।পরে পরিবারের সকলে মিলে জান্নাতকে উপুড় করে চেপে ধরে তার পশ্চাদের দুই নিতম্বরে জ্বলন্ত খুনতি দিয়ে ছ্যাকা দেয়। দফায় দফায় ছ্যাকা দিয়ে তার পশ্চাদদেশ পুড়ে বিভৎস করে দেয়া হয়।পুড়ে দিয়ে তাঁকে গৃহবন্দি রাখা হয়।দেয়া হয়নি কোন চিকিৎসা।পাড়াপ্রতিবেশী থেকে খবর পেয়ে দুই দিন পর শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় মেম্বার মনির মাতাব্বর ও চৌকিদার বাচ্চু মিয়াসহ স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেম্বার মনির মাতাব্বর জানান,খবর পেয়ে ভিক্টিমকে উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেছি। স্বজনরা জানান জান্নাতের নিতম্বে ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি গভীর পোড়া ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রেবেকা নাজনীন লিজা জানান, রোগীনির পশ্চাদের পুরো চামড়া পুড়ে গেছে। দুলার হাট থানার ওসি মোরাদ হোসেন এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেন নি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT