ট্রেড লাইসেন্সের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে লালমোহনে বিক্ষোভ ট্রেড লাইসেন্সের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে লালমোহনে বিক্ষোভ - ajkerparibartan.com
ট্রেড লাইসেন্সের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে লালমোহনে বিক্ষোভ

3:42 pm , July 28, 2022

লালমোহন প্রতিবেদক ॥ ভোলার লালমোহন পৌরসভায় চলাচলকারী ব্যাটারী চালিত রিকশা ও বোরাকের ট্রেড লাইসেন্সের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শতাধিক রিকশা ও বোরাক চালক। বৃহস্পতিবার সকালে পৌর শহরের থানার মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পৌরসভা ভবনের সামনে অবস্থান নেয় তারা। এ বিক্ষোভের ফলে ভোলা-চরফ্যাশনের প্রধান সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পৌর ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা। তারা জানায়, বিগত বছরে বোরাক প্রতি ১২শত টাকা ও রিকশার জন্য ৬শত টাকা ট্রেড লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করে লালমোহন পৌরসভা। একইসাথে প্রতিদিন বোরাক ও রিকশার জন্য ২৫ টাকা পৌর কর দিতে হয়। এবছর ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি করে ১২শত টাকার ফি ২১শত ও ৬শত টাকার ফি ১৭শত টাকা নির্ধারণ করে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে চালকরা। এসময় তারা পূর্বের ফি বহাল রাখার দাবী জানান। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একত্বতা প্রকাশ করে লালমোহন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি এনামুল হক রিংকু বলেন, রিকশা ও বোরাক চালকদের ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি করে তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। আমারও জোর দাবী আগের ফি বহাল রাখার। এছাড়াও এসব চালকদের কাছ থেকে সরকারি নিয়মের বাহিরে নামে-বেনামে যে অর্থ আদায় করা হচ্ছে তা বন্ধের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এব্যাপারে পৌরসভার মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, যেহেতু পৌরসভাগুলোকে নিজস্ব আয়ে স্বালম্বী হতে হবে, এ কারণেই অন্যান্য পৌরসভার সঙ্গে মিল রেখে ট্রেড লাইসেন্সের একটি মূল্য নির্ধারণ করতে চাচ্ছি। এরপরেও যদি ব্যাটারী চালিত রিকশা ও বোরাক চালকরা আমাদের কাছে আসে তাহলে আমরা কিছু টাকা কম নেয়ার চেষ্টা করবো।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT