বরিশালে দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানীর চাহিদা পূরন বরিশালে দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানীর চাহিদা পূরন - ajkerparibartan.com
বরিশালে দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানীর চাহিদা পূরন

3:24 pm , July 13, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ গত দুই বছরের মতো এবারো বরিশাল জেলায় দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানীর চাহিদার মেটানো হয়েছে বলে জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। কি পরিমান পশু কোরবানী হয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল আলম বলেন, গত বছরের চেয়ে এবারে একটু বেশি পশু বেচা বিক্রি হয়েছে। তবে জেলার কোন হাট বাজারে ভারত ও নেপালসহ অন্য কোন দেশ থেকে আনা পশু বিক্রি হয়নি। দেশীয় খামারী ও গৃহস্তের গোয়ালে লালন পালন করা পশু দিয়ে ভালভাবে চাহিদা মেটেছে।
কোথাও কোন ঘাটতির খবর নেই জানিয়ে ডা. নুরুল আলম বলেন, শনিবার সন্ধ্যার পর দুই একটি হাটে গরুর ঘাটতি দেখা দিয়েছিলো। কিন্তু জেলার অন্যান্য হাটে গিয়ে পশু কিনতে পেরেছে ক্রেতার বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় খামারী ও গৃহস্থের গোয়ালে লালন পালন করা পশু দিয়ে কোরবানীর চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিলো জানিয়ে ডা. নুরুল আলম বলেন, জেলার চাহিদা মিটিয়ে ৬৯৫ টি পশু উদ্ধৃত থাকার আশার করা হয়েছিলো।
গত বছরের চেয়ে এবারে পশু কোরবানী বেশি হওয়ায় উদ্ধৃত থাকেনি। বরং কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, যশোর, ঝিনাইদহ থেকে ব্যবসায়ীরা গরু এনে ঘাটতি পুরন করেছে। পশু সম্পদ কর্মকর্তা বলেন, বরিশাল জেলায় ১ লাখ ৮ হাজার ১১৮ টি কোরবানীর পশু ছিলো। এর মধ্যে চাহিদা ছিলো এক লাখ ৭ হাজার ৪২৩টি পশুর।
সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের কাগাশুরু গরুর হাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি গোলাম কবির জানান, সন্ধ্যার পর ওই হাটে কোন গরু ছিল না। শতাধিক ক্রেতা গরু কিনতে না পেরে অন্যহাটে গেছেন। অনেকে হাটের আশে-পাশের গৃহস্তের বকনা, গাভী ও হালচাষের গরু কোরবানীর জন্য কিনে নিয়েছে। সেই সব গরু স্বাভাবিক দামের চেয়েছে ১০/২০ হাজার টাকা বেশি দামে ক্রয় করেছে। তিনি জানান, কাগাশুরা গরু হাটে বিদেশী জাতের গরু ছিলো। কিন্তু বিদেশ থেকে আমদানী করা গরু ছিলো না।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ও ভেটেনারী সার্জন ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, এবার বরিশাল নগরীতে দুইটি অস্থায়ী ও একটি স্থায়ী গরুর হাট ছিলো। তিনি প্রত্যেকটি গরুর হাটে গিয়েছেন জানিয়ে বলেন, এবারে কোন গরুর হাটে বিদেশথেকে আমদানী করা পশু ছিলো না। সব স্থানীয় খামারী, গৃহস্থ ও দেশের বিভিন্নস্থান থেকে আনা ছিলো।
রবিউল ইসলাম বলেন, মানুষ এখন সচেতন। তারা যাচাই-বাছাই করে দেশীয় ও গৃহস্তের লালন-পালন করা পশু খুজে নেয়। তাই বিক্রেতারা বিদেশ থেকে পশু আনতে তেম আগ্রহী নয়। তাই কোন হাটে বিদেশ থেকে আনা পশু ছিল না।
তিনি আরো জানান, সন্ধ্যার আগে নগরীর কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারন করা সম্ভব হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ডা. রবিউল বলেন, সিটি কর্পোরেশনের এক হাজার ২০০ পরিচ্ছন্নতা কর্মী দুপুর দুইটার পর বর্জ্য সংগ্রহ শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বর্জ্য সংগ্রহ করতে পেরেছে তারা।
ডা. বরিউল দৃঢ় কন্ঠে বলেন, আপনি একটু ঘুরে দেখুন, নগরীর কোথাও গরুর রক্ত বা বর্জ্য রয়েছে কিনা।
তিনি বলেন, গত বছর নগরীতে সাড়ে তিন হাজার পশু কোরবানী হয়েছিলো। এবার কি পরিমান হয়েছে, সেই হিসেব এখনো পাননি। চুড়ান্ত হিসেব দুই দিন পরে দেয়া যাবে বলেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT