করোনা প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করোনা প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন - ajkerparibartan.com
করোনা প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

3:29 pm , July 4, 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর সংক্রমন প্রতিরোধে টিকা গ্রহণের গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন গতকাল সোমবার সায়েস্তাবাদ মোয়াজ্জেম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা: মারিয়া হাসান প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ সামসুদ্দোহা সভাপতিত্ব করেন। এসময় সায়েস্তাবাদ মোয়াজ্জেম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক জাকির হোসেন এসময় স্বাগত বক্তব্য করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে জনসচেতনতামূলক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন তথ্য দপ্তরের সহকারী তথ্য অফিসার লেলিন বালা। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কোভিড-১৯ ও পদ্মাসেতু নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন। এসময় তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানার উপায় নেই। করোনার প্রভাব আবার দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি করোনার টিকা গ্রহন করতে হবে।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা সিভিল সার্জন বলেন, এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশ করোনা টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রথম। সরকার নিজ অর্থায়নে টিকা দিচ্ছে। তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। খাওয়ার আগে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। শিষ্টাচার মানতে হবে। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তিতি আরও বলেন, করোনা দেশ থেকে চলে গেছে, একথা বলা জাবে না। করোনার মধ্যে আমাদের জীবনযাপন করতে হবে। করোনা টিকা গ্রহণের বিষয়ে কোন গুজবে কান দিবেন না। টিকার কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে জ্বর আসতে পারে । সে জন্য ভয়ের কিছু নেই। যে কোন টিকা নিলেই এমন সামান্য সমস্যা হতে পারে।জেলা তথ্য দপ্তরের পরিচালক জাকির হোসেন জানান, যেখানেই যার সঙ্গে কথা বলবেন অন্তত ৩ ফুট বা ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবেন। এটাকে বলা হয় ‘সামাজিক দূরত্ব’। এই দূরত্ব রাখার কারণ হলো অন্যকারও হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের সঙ্গে আসা ভাইরাসের জীবাণু যেনো আপনার নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ না করে। চোখে, মুখে বারবার হাত দেওয়া আমাদের স্বাভাবিক একটি অভ্যাস। করোনাকালীন এ অভ্যাস পরিহার করতে হবে বলে তুলে ধরেন তিনি।এসময় ইউনিসেফের মনিটরিং কর্মকর্তা আল মুমিন সরোয়ার বলেন, যেখানে সেখানে স্পর্শ করা যাবে না। আমরা এমন অনেক কিছুই স্পর্শ করি যা অন্যরাও স্পর্শ করেন। টাকাপয়সা, সুইচ, লিফটের বোতাম, বাসের হাতল বা সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি। এসব বস্তুতে ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে। ফলে এমন কিছু স্পর্শ করলেও হাত ধুয়ে নিতে হবে বা স্যানিটাইজ করে নিতে হবে। তবে করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য বিধির বিকল্প নাই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT