৫৮ লাখ টাকা বকেয়া আড়তদারদের কাছে ৫৮ লাখ টাকা বকেয়া আড়তদারদের কাছে - ajkerparibartan.com
৫৮ লাখ টাকা বকেয়া আড়তদারদের কাছে

3:41 pm , July 1, 2022

পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে

পরিবর্তন ডেস্ক ॥ মাছ বিক্রির সরকারি টোলের সব টাকা আড়তদারেরা জমা দেন না। গত সাত বছরে বকেয়ার পরিমাণ বেড়ে ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতি বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের। সেখানকার ৩৮ জন আড়তদারের কাছে ওই টাকা পাওনা।সাগর ও নদী থেকে ট্রলারে মাছ আহরণের পর ট্রলার বোঝাই করে ঘাটে মাছ নিয়ে আসা হয়। আড়তদারেরা ওই মাছ খোলা ডাকে বিক্রি করেন। পাইকারেরা সেই মাছ কিনে নেন। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের বিপণন কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, আড়তদারদের মাছ বিক্রির মোট টাকার ওপর শতকরা হিসাবে ১ টাকা ২৫ পয়সা সরকারি টোল আদায় করা হয়।পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে প্রতিদিন ভোর থেকে মাছ বিক্রি চলমান থাকা পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সরেজমিন আড়তদারদের মাছ বিক্রি টালিখাতায় হিসাব রাখেন। ওই হিসাব দেখে মাছ বিক্রির মোট টাকার ওপর শতকরা ১ টাকা ২৫ পয়সা হিসাবে টোল ধার্য রয়েছে।সেই হিসাবে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়তদারদের কাছে ৫৮ লাখ ১০ হাজার ২৮৭ টাকার সরকারি টোল অনাদায়ি রয়েছে।পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের বিপণন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুন পর্যন্ত মেসার্স জোবায়ের এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আমির হোসেন সেলিম হাওলাদারের কাছে ৮ লাখ ২০ হাজার ২১৫ টাকা, মেসার্স মোল্লা ফিশের স্বত্বাধিকারী আলম মোল্লার কাছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ১৮০ টাকা, মেসার্স তারেক ফিশের স্বত্বাধিকারী ছগির হোসেনের কাছে ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭১৮ টাকা, মেসার্স মক্কা ফিশ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মহিউদ্দিন খানের কাছে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৯ টাকা, মেসার্স সাগর ফিশ অ্যান্ড অয়েলের স্বত্বাধিকারী মোতালেব হোসেনের কাছে ৩ লাখ ৮৬০ টাকা, মেসার্স মাছের খাল ফিশের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম কাছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৫ টাকা, মেসার্স জমাদ্দার ফিশের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর জমাদ্দারের কাছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫০৫ টাকা টোল বকেয়া রয়েছে। ওই সাত আড়তদারের কাছে বকেয়া রয়েছে ৩৪ লাখ ১২ হাজার ৭৫২ টাকা।তবে পাথরঘাটা বিএফডিসি আড়তদার সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘অবতরণ কেন্দ্রে মাছ বেচাকেনায় টোল আদায়ের টালির খাতার সঙ্গে আমাদের টালিখাতার গরমিল রয়েছে। এতে অনেক আড়তদারের হিসাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সমন্বয় করতে বলছি। কিন্তু বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ ওই টোল সমন্বয় করছে না। এ জন্য বিএফডিসির বাজারে মাছ বেচাকেনা বন্ধ করে আমরা অন্য স্থানে মাছ বেচাকেনা করছি।’পাথরঘাটা বিএফডিসি পাইকার মালিক সমিতির সভাপতি শাফায়েত হোসেন মুন্সী বলেন, আড়তদারেরা বছরের পর বছর সরকারি যে টোল বকেয়া রাখছেন, তা মূলত জেলেদের কাছ থেকে মাছ বিক্রির সময় নগদ নিয়ে নেন। সেই টাকা আড়তদারের পকেটে রেখে ব্যবসা করা আর সরকারকে টোল বকেয়া রেখে ফাঁকি দেওয়া সমান কথা। টোল আদায়ে জোরালো পদক্ষেপ ও আগের মতো সরকারি পাইকারি বাজারে মাছ বিক্রি করার দাবি জানান।মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট এম লুৎফর রহমান বলেন, ‘বকেয়া টোলের টাকা পরিশোধের তাগিদ দেওয়ায় ও নতুন টোল আদায়ে কড়াকড়ি করায় তাঁরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।’

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT