পদ্মা সেতু চালু হলে বাণিজ্যিক নগরী হতে বরিশালের বাঁধা শুধু গ্যাস পদ্মা সেতু চালু হলে বাণিজ্যিক নগরী হতে বরিশালের বাঁধা শুধু গ্যাস - ajkerparibartan.com
পদ্মা সেতু চালু হলে বাণিজ্যিক নগরী হতে বরিশালের বাঁধা শুধু গ্যাস

3:40 pm , May 19, 2022

আরিফ আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদক ॥ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন মাত্রই উম্মুক্ত হবে বরিশালের সব কটি বাণিজ্যিক পথ। বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে বরিশালের এখন বাধা শুধু গ্যাস বলে জানালেন বরিশালের সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পটুয়াখালীর পায়রা বা লেবুখালী সেতু চালুতে বরিশাল তথা এ বিভাগের ছয় জেলার ভাগ্যোন্নয়নের বানিজ্যিক দ্বার উম্মুক্ত হয়েছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের ফলে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে আমাদের। আর এ যাত্রার সাফল্য পেতে হলে ভোলা থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আসা নিশ্চিত করতে হবে ও খুলনা নির্ভর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বরিশাল নির্ভর হতে হবে। এটা হলেই বাণিজ্যিক নগরী হবে বরিশাল এবং এর সুফল পাবে বিভাগের ছয় জেলার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ। বর্তমানে পদ্মাসেতুর কাজ প্রায় সবটাই শেষের দিকে। ২০০১ সালের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার পর নিজস্ব অর্থায়নে দ্রুত এগিয়ে চলেছে এর সার্বিক কাজ। গত ১৭ মে পদ্মা সেতুর টোল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোটরসাইকেলের টোল ১০০ টাকা, কার ও জিপ ৭৫০ টাকা, পিকআপ এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস এক হাজার ৩০০ টাকা। ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা এবং বড় বাস (৩ এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা। ছোট ট্রাক (৫ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ টনের অধিক থেকে ৮ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৮ টনের অধিক থেকে ১১ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা। এ আদেশ পদ্মা বহুমুখী সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দিন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়। ঐ দিন দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধনের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্যও দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হঠাৎ কেউ কেউ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ বলে বেড়াচ্ছেন। এতে অধৈর্য হবেন না। সারসংক্ষেপ যাচ্ছে। চূড়ান্ত তারিখ দেবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা সেতু বিভাগ থেকে সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি দিনক্ষণ ঠিক করার জন্য। ইনশাআল্লাহ আগামী জুন মাসে পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে। জুনেই পদ্মাসেতু চালু করা হবে। প্রতিকূল আবহাওয়া, গুজব ও মহামারি করোনাভাইরাস সঙ্কট উপেক্ষা করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে জেগে উঠেছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ অবয়ব। সেতু প্রকল্পের কাজ এখন একেবারে শেষের পথে। ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে মূল সেতু দৃশ্যমান হওয়ার পর এবার যান চলাচলের জন্য উপযোগী হয়েছে উঠেছে সেতুটি। দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বপ্নের এই পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দ্বার উম্মুক্ত হবে বলে মনে করেন রাষ্ট্র প্রধান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে বরিশাল বিভাগের স্বপ্ন দ্বার খুলে যায় পটুয়াখালীর লেবুখালী বা পায়রা সেতুর নির্মাণ সূচনায়। ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এরপর দ্রুত গতিতে কাজ শেষ হয় ও গত বছর ২৪ অক্টোবর পায়রা সেতু চালু হয়। নদীমাতৃক বরিশাল বিভাগের ভোলা বাদে অন্য পাঁচটি জেলার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরাসরি যানবাহনের যোগাযোগ স্থাপন হয় এই সেতু চালুর ফলে। কুয়াকাটা সহ পটুয়াখালী, বরগুনা ও সুন্দরবন অঞ্চলের নৈসর্গিক দৃশ্য উম্মুক্ত হয় এবং পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়। পদ্মা ও পায়রা সেতুকে ঘিরে তাই বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠতে শুরু করেছে হোটেল-মোটেলসহ বহু ছোট-বড় শিল্পায়ন-কল-কারখানা। এমনকি বরিশাল বিসিককে শক্তিশালী ও ইপিজেড স্থাপনের স্বপ্ন স্বয়ং জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দারের। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরু হলে দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। পাশাপাশি গড়ে উঠবে ব্যবসায়ীক সর্ম্পক। বাড়বে এখানকার পর্যটন কেন্দ্রেগুলোতে লোক সমাগম। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য দুয়ার খুলে যাবে বলে আশাবাদী আমরা। এদিকে সড়কে টোল লাগবে পদ্মা সেতুর বাইরে ঢাকার পোস্তগোলা বা বাবুবাজার থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত। এ পথে এক্সপ্রেসওয়ে (ছয় লেনের দ্রুতগতির সড়ক) ব্যবহারের জন্যও টোল দিতে হবে। আগামী জুলাই থেকে টোল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সড়কের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। সওজ সূত্র জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য একটি বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৯ টাকা হারে টোল দিতে হবে। মাঝারি একটি ট্রাকের টোল হবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা। এ ক্ষেত্রে পোস্তগোলা, কেরানীগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীতে দুটি সেতুসহ বাকি সেতুতে আলাদা টোল নেওয়া হবে না। বর্তমানে এই পথে তিনটি সেতুর জন্য একটি বড় বাসে গড়ে ২০০ টাকা টোল দিতে হয়। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। সে হিসাবে প্রতিটি বাসে ৪৯৫ এবং ট্রাকে সাড়ে ৫০০ টাকা টোল দিতে হবে। তবে এই টোলহার আরও বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে সওজের। এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে খরচ হয়েছে ১১ হাজার ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর এই এক্সপ্রেসওয়েতে টোল হার ও চেকিং বিষয়ে উদ্বিগ্ন গাড়ি চালক ও দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন নেতারা। তাদের দাবী পদ্মা সেতুর জন্য ধার্যকৃত একই টোলে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের সুযোগ দিলে গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি হবেনা এবং টোল বিষয়েও কোনো আপত্তি থাকবে না পরিবহন চালক ও মালিকদের। পদ্মার এপারে জাজিরা প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এ পথে যেতে সময় লাগে ২০ মিনিটের মতো। জাজিরা থেকে শিবচরের পাচ্চর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক। এরপর এক্সপ্রেসওয়েতে বাকি ২০ কিলোমিটার। পুরো পথে কোথাও থামতে হয় না। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৪ কোটি টাকা। চার লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন (পশ্চিম)। সেতুর দুই পাশে ধীরগতির যানবাহন চলাচলের জন্য সাড়ে পাঁচ মিটার প্রশস্ত সড়ক রাখা হয়েছে। ২০১৬ সালে এক্সপ্রেসওয়েটির কাজ শুরু হয় ও ২০২০ সালের মার্চে এটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ এক্সপ্রেসওয়েতে ৫টি ফ্লাইওভার, ১৯টি আন্ডারপাস এবং প্রায় ১০০টি সেতু ও কালভার্ট রয়েছে। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটি কাজ বাস্তবে রূপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার সুফল পাবেন বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিটি মানুষ। ইতিমধ্যেই যার প্রভাব পরতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের সড়কের আনাচকানাচে। পর্যটন করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগজুড়ে পর্যটন শিল্পে ব্যাপক সম্ভবনা তৈরি হয়েছে এই সেতুকে ঘীরে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও তার পার্শ্ববর্তী গঙ্গামতী, কাউয়ারচর, বরিশালসহ পদ্মার পাড় ও কীর্তনখোলা তীরের চর এলাকা হতে পারে শিল্পায়নের নতুন সম্ভাবনা। সে লক্ষ্যে কাজও শুরু হয়েছে। বরিশালের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি কবি ও অধ্যাপক তপংকর চক্রবর্তী বলেন, পদ্মা ও পায়রা সেতু বিভাগের চেহারাই বদলে দিচ্ছে। তবে পদ্মা সেতুতে যানবাহনের চলাচল শুরু হবার আগেই বরিশালের প্রশাসন, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, রাজনিতীবিদ ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত একটি উন্নয়ন কমিটি হওয়া জরুরী। একটি বিভাগীয় শহরে নাগরিকদের কোনো ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম নেই যা সত্যি লজ্জার। এই কমিটির তত্ত্বাবধানে হোক বা জেলা ও সিটি করপোরেশনের অধীনে হোক প্রবাসীদের এখানে ইনভেস্ট করতে উৎসাহিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, সৃজনশীল ও উৎপাদনশীল শিল্প কারখানা স্থাপনে আগ্রহী ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ জন্য গ্যাস খুবই জরুরী। অত্যাধুনিক ডকইয়ার্ড তৈরির চমৎকার সুযোগ এখানে। তবে সবার আগে ভোলা থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আসার বিষয়টি কেন এতো বিলম্ব তা সমস্যার সমাধান করে দ্রুত গ্যাস আসা নিশ্চিত করতে হবে। আঞ্চলিক কার্যালয় সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে হবে। এটা জরুরী সমাধান করার আহ্বান এই বিশিষ্টজনের। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তা বাস্তবায়ন করছেন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, স্বপ্নের পদ্মা ও পায়রা সেতু নির্মাণ হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও জীবন-জীবিকা বদলে যাবে। দক্ষিণাঞ্চল বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে। এই জনপদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিরাট সুযোগ সৃষ্টি করবে পদ্মা সেতু। আর বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ভোলার গ্যাসটা যদি নিশ্চিত এসে যায় আর যদি সরকারের এ অঞ্চলের উন্নয়নের স্বদিচ্ছা থাকে তাহলে গার্মেন্টস শিল্পকে গুরুত্ব দিলে সবচেয়ে লাভজনক হবে বাংলাদেশ। চিটাগং এর মতো বরিশালেও ইপিজেড স্থাপনের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। আঞ্চলিক কার্যালয় সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে হবে বলে জানান এই নেত্রী। বরিশাল চেম্বার অব কমার্স সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হওয়া আর বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হওয়া একই কথা হবে। আমাদের এখন শুধু গ্যাস দরকার হবে। আর বেশ কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান এখনো খুলনা নির্ভর। সেগুলোর আঞ্চলিক কার্যালয় সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।
বরিশাল ৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অব. জাহিদ ফারুক বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হওয়া মাত্রই আমাদের বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের বাণিজ্যিক যাত্রারও সূচনা হবে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে । প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের অগ্রযাত্রায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যন্ত গ্রামেও বাণিজ্যিক সুবিধা পৌঁছে দেব ইনশাআল্লাহ। আমরা গ্যাস ও অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। পর্যায়ক্রমে সব সুবিধা দেয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT